২২ থেকে ২৮জুন কঠোর লকডাউন! লকডাউন কি? কত প্রকার তা খুলনার পাইকগাছায় মানুষ কিছুটা উপলব্ধি করেছেন। মঙ্গলবার সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউন প্রথম দিনে সকাল থেকে সিভিল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লকডাউন কার্যকর করতে সর্বদা মাঠে ছিলেন। জরুরী পরিসেবা বাদে সকল দোকান-পাট বন্ধ ছিলো। এর পরেও কিছু-কিছু দোকান মালিকরা সুযোগের অপেক্ষায় ছিল এমনটাই লক্ষ করা গেছে। সকালে লকডাউন কার্যকর করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহারিয়ার হক, সহকারী পুলিশ সুপার ডি সার্কেল মো. হুমায়ন কবীর ও থানা ওসি মো. এজাজ শফী তৎপর ছিলেন। এদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহারিয়ার হক বাণিজ্যিক শহর কপিলমুনি দু’দোকানীকে লকডাউন অমান্য করায় জরিমানা করেন। কপিলমুনি ফাঁড়ি ইনচার্জ ইন্সপেক্টর দেবাশীষ দাষ লকডাউন সফল করেত সারাদিন মাঠে তৎপর ছিলেন। লকডাউন উপেক্ষা সহ স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় মৎস্য কাটা থেকে ওসি মো. এজাজ শফীর নেতৃত্বে থানা পুলিশ ১৮ ব্যক্তিকে আটক করেন। পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টুর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন কালে নিয়ম ভেঙ্গে মটরসাইকেল চালানোর অভিযোগে থানা সহ ক্যাম্প পুলিশ একাধিক মটর সাইকেল জব্দ করেছেন। অন্যদিকে লকডাউন কড়াকড়ি করতে ব্রিজ পয়েন্ট সহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ চেক পোষ্ট বসিয়েছেন। দুপুর ২ টার দিকে লকডাউন সফল করতে আবারো মাঠে নামেন প্রশাসন। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে কয়েকজনকে জরিমানা করেন। পাইকগাছা-খুলনা প্রধান সড়ক ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে টহল দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। মঙ্গলবার ২২জুন চলতি লকডাউনের প্রথমদিন এমন চিত্র ইপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়।