খুলনার পাইকগাছায় রাড়-লী ইউনিয়নে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল তপন বিশ্বাসের পরিবারের ৪ জনের। উপজেলার রাড়-লীর পশ্চিম মালোপাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তার বাড়ি। সে পেশায় একজন নরসুন্দর। সামান্য আয়ের উপর নির্ভর করে পরিবারের চার সদস্যের জীবন-যাপন। রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। তার মধ্যে আবার মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ, পিতার ভিটায় মাত্র দুই শতক জমির উপর ছোট্ট একটা কুড়ি ঘর। যে ঘরে তার বাবার মৃত্যুর পর হতে দীর্ঘ ২০টি বছর বসাবস করছেন। এই পুরাতন ঘরে তার বাবা ও বসাবস করে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। কোনভাবে ভাগ্যের চাকা উল্টোদিকে ঘুরাইতে পারিনি তপনের পরিবার। কবির ভাষায়, ‘বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি, একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি’। অল্পের জন্য বেচে গেলো এ দরিদ্র পরিবারটি। গত বৃহস্পতিবার রাত ৩ টার দিকে মাটির বসত ঘরটি বৃষ্টির কারণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় হঠাৎ ভেঙে পড়ে। তবে ঘরে থাকা স্ত্রী ছেলে, মেয়ে ও তার কোনো শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘরের যে দেওয়াল ভেঙে পড়েছে সেই দেওয়াল যদি ঘরের মধ্যে পড়তো তবে পরিবারের সকলে মারা যেতেন। তার ছোট্র পেশা দিয়ে পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। তপন বিশ্বাস বলেন, ঘর তৈরি করা জরুরী, তবে আর্থিক সংকটের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। এই অবস্থার মধ্যে দিয়ে আমার ছেলে মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে এখন কি ভাবে জীবন-যাপন করবো সেটাই আমার জন্য বড় হয়ে দাড়িয়েছে। এই বিপদে সরকারের কাছে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করি আমাকে এই মানবতার জীবন-যাপন থেকে মুক্তি পেতে পারি সে ব্যবস্থা করতে।