খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনি ইউপি সচিব আঃ গণি গাজীর বিরুদ্ধে মৃত্যু রেজিষ্ট্রারে নাম সংশোধনের জন্য অর্থ উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে জন্ম নিবন্ধন, বয়স্ক, বিধবা ভার্তা কার্ড সহ অন্যান্য কাজ করিয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা গ্রহণ করেন। এ-সংক্রান্ত এক ভূক্তভোগী জিয়াউর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ, উপজেলার ২নং কপিলমুনি ইউনিয়নে নাছিরপুর গ্রামের শেখ জিয়াউর রহমানের পিতা শেখ নুর ইসলাম ২৩ ফেব্রুয়ারী মৃত্যুবরণ করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট ইউপির সদস্যরা মৃত্যু রেজিষ্ট্রারে তার পিতার নাম অন্তভূক্ত করেন। পরবর্তীতে পিতার মৃত্যু সনদ গ্রহণের সময় নামের স্থলে তথ্যগত অসঙ্গতি দেখতে পান। তখন পরিষদের মৃত্যু রেজিষ্ট্রারে তার পিতার নাম সঠিক করে পূর্ণাঙ্গ ভাবে লেখার জন্য ইউপি সচিবকে অনুরোধ করেন। এমতাবস্থায় ইউপি সচিব গণি গাজী ইউএনও অফিসের দোহায় দিয়ে তার কাজ থেকে ৭শত টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু অদ্যাবধি তার পিতার নাম সংশোধন করেন নাই। একপর্যায়ে সে কারণ জানতে ২০ এপ্রিল বেলা ২.৩০ মিনিটের দিকে পরিষদ প্রাঙ্গণে গেলে তাঁকে ইউপি সচিব অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ইউপি সচিব আঃ গণি গাজী জিয়াউর রহমান তার পিতার নাম সংশোধনের জন্য আসার কথা স্বীকার করে বলেন, তার সাথে আমার কোনো প্রকার অর্থনৈতিক লেনদেন হয়নি। পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কওছার আলী জোয়ার্দ্দার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো। পরিষদের রেজিষ্ট্রারে মৃত্যু ব্যক্তির নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে টাকা নেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।