খুলনার পাইকগাছায় বিবাহিত শালিকাকে শ্বশুর বাড়ী পৌঁছে দেওয়ার নাম করে অজ্ঞাত স্থানে ফেলে ধর্ষণ করে তা ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলায় পুলিশ দুলাভাই মশিউরকে আটক করেছেন। মশিউর চাঁদখালী ইউপি'র কালুয়া গ্রামের কামরুল সরদারের ছেলে। রহস্য উদঘাটনে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭দিনের রিমান্ড আবেদন করে বৃহস্পতিবার মশিউরকে আদালতে প্রেরণ করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার কালুয়া গ্রামের কামরুল ইসলাম সরদারের ছেলে মশিউর রহমানের সাথে একই এলাকার রফিকুলের মেয়ে রোকাইয়া ছিদ্দিকা রানীমার সাথে ৩ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। সংসারে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। গত ১৮ ফ্রেব্রুয়ারি রাতে বাড়ীর পুকুরে রহস্য জনক ভাবে রানীমার মৃত দেহ উদ্ধার হলেও কোনো মামলা হয়নি। তার মৃত্যু নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ-সংশয় দেখা দিলেও রানীর পরিবার সে সময় কোনো অভিযোগ করেননি। দু'পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল। এর সূত্রধরে গত ১১ এপ্রিল বিকেলে মশিউর তার বিবাহিতা শালিকা সোনিয়াকে শ্বশুর বাড়ী পাশ্বর্তী উপজেলা আশাশুনির গোযালডাঙ্গা গ্রামে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে ইজি বাইকে রওনা দেয়। সন্ধ্যার পূর্ব মুহুর্তে চাঁদখালীর কৈয়াসিটিবুনিয়ায় নেমে একটি মাইক্রোবাস যোগে কাঁটাবুনিয়ায় এক বাড়ীতে অবস্থান নেন। অভিযোগ উঠে এখানে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবার হুমকি দেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা রফিকুল সরদার বাদী হয়ে ২০ এপ্রিল মশিউরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফি আইনে মামলা করেন, যার নং-২৩। ববৃহস্পতিবার এসআই শহীদ মশিউরকে নিজ বাড়ী থেকে আটক করে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করেছেন। এদিকে এ ঘটনার পর ভিকটিমকে তার স্বামী রিফাত ডির্ভোস দিয়েছেন বলে জানাগেছে।