খুলনার পাইকগাছায় শালিকাকে শ্বশুর বাড়ী পৌঁছে দেয়ার নাম করে মাইক্রোবাসে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে দুলাভাইকে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনাটি মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে ব্লাক মেইল করছে বলে মেয়ের পিতা রফিকুল ইসলাম অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। এদিকে গত ১৮ জানুয়ারি পরিকল্পিত ভাবে স্ত্রীকে হত্যা করে। যা পুকুরে ফেলে দিয়ে ডুবে মরছে বলে প্রচার দেন। এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার কালুয়া গ্রামের কামরুল ইসলাম সরদারের ছেলে মশিউর রহমানের সাথে একই এলাকার রফিকুলের মেয়ে রোকাইয়া ছিদ্দিকা রানীমার সাথে ৭ বছর আগে বিয়ে হয়। সংসার জীবনে তাদের সংসারে ৪ বছরের একটা ছেলে আছে। সংসারে তাদের মধ্যে প্রায় বিরোধ লেগে থাকতো বলে রানীমার পিতা রফিকুল ইসলাম জানায়। ঘটনার তারিখটা ছিল ১৮ জানুয়ারি ২০২১। রাত আনুমানিক ২ টার দিকে স্বামী মশিয়ার স্ত্রী রানীমাকে নিয়ে প্রকৃতির ডাকে বাইরে যায়। রফিকুল যায় বাথরমে ও রানীমা ওযু করতে নামে পুকুরে। কিছুক্ষণ পরে রফিকুল বাইরে এসে দেখে তার স্ত্রী পুকুরে ভাসছে। চীৎকার করে লোকজন জড়ো করে। এমনকি এভাবেই ধাঁমাচাপা পড়তে থাকে মূল কাহিনী। বড় মেয়ে মারা যাওয়ায় শোকাহত বাবার বাড়ীতে ছোট মেয়ে শ্বশুর বাড়ী থেকে প্রায় বেড়াতে আসে। ঘটনার দিন ১১এপ্রিল মশিউর শালিকাকে বাড়ীতে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে ইজি বাইকে উপজেলার কৈয়াসিটিবুনিয়ায় নামে। সেখান থেকে মাইক্রো যোগে কাটাবুনিয়া নামক স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করে। এসআই শহীদ বৃহস্পতিবার (গতকাল) দুপুরে তাঁকে নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করেছেন। এদিকে এঘটনার পর সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার গোয়াল ডাংগা গ্রামের রেফাত গাজী স্ত্রীকে বুধবার তালাক পাঠিয়েছে বলে স্ত্রী জানায়। ওসি (তদন্ত) মোল্যা খালিদ হোসেন জানান, ঘটনাটি দুঃখ জনক। আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যথাযথ আইনে প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।