খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার উত্তর চন্দনীমহল (বোগদিয়া) গ্রামে বিবাদমান দু’ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দিঘলিয়া থানায় আরও একটি মামলা হয়েছে। মামলা নম্বর ৩ তারিখ ১৯/০৪/২০২১ইং। এমামলার বাদী মোঃ বেলায়েত হোসেন। মামলাটিতে প্রতিপক্ষের ৩২ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত আরো অনেককে আসামি করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে গত ১৭ এপ্রিল মোঃ আশরাফ মোল্লা বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ১৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক আরো অনেকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল রাতে আশরাফ মোল্লা, আকরাম ওরফে আঁকা ও মোজাফফর গং জনৈক জিয়াউর রহমানের (জিয়া চৌকিদার) কে হত্যার উদ্দেশ্যে মাছের ঘেরে হামলা এবং বিষ প্রয়োগে ৩ লাখ টাকার মাছ মারা নিয়ে থানায় অভিযোগ করা নিয়ে সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। সংঘর্ষে ২৫/৩০ জন আহত হয়।
দিঘলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) রিপন সরকার জানান, ১৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর চন্দনীমহল (বোগদিয়া) গ্রামে বিবাদমানা দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘটিত সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পৃথক ২টি মামলা হয়েছে। ১ম মামলাটি শনিবার (১৭ এপ্রিল) মোঃ আশরাফ হোসেন মোল্যা বাদী হয়ে এজাহারে প্রতিপক্ষের ১৭ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে আসামি করে দায়ের করেন, মামলা নং ২।
এর ২ দিন পর ১৯ এপ্রিল সোমবার মোঃ বেলায়েত হোসেন প্রতিপক্ষের ৩২ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে আসামি করে পৃথক আরেকটি মামলা দায়ের করেন, মামলা নং ৩। এজাহারে নামোল্লেখকৃত আসামীদের এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এদিকে উত্তর চন্দনীমহল এলাকার একাধিক বিশিষ্টজনেরা মোবাইলে এপ্রতিবেদককে জানান, ঘটনার পরের দিন থেকে আশরাফ,আকরাম ও মোজাফফর গং তাদের দলবল নিয়ে সশস্ত্র অবস্থায় একত্র হওয়া বিলের রাস্তা দিয়ে মহড়া দিতে দেখা গেছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে একটি মহলের গোপন পৃষ্ঠপোষকতার কারণে এ সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্র এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে এদের মাধ্যমে কয়েকটা অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে।