দিঘলিয়া উপজেলায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে। দ্বিতীয় ধাপে ১৫ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা ১৬২ জন।এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। অনেকেই মানছে না স্বাস্থ্যবিধি।পরিস্থিতি অনুকূলে আনতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন ও দিঘলিয়া থানা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় প্রথম ধাপে করোনা ভাইরাস দিঘলিয়া বাসীর মাঝে বিরূপ প্রভাব ফেলেছিল।এসময় দিঘলিয়া উপজেলার মানুষকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কাটাতে হয়েছে। এ সময় ১৪৬ জন করোনায় আক্রন্ত হয়েছিল এবং মৃত্যু হয়েছিল ২ জনের। দিঘলিয়াকে ঘোষণা করা হয়েছিল রেড জোন হিসেবে। সেই সময় এলাকাভিত্তিক লকডাউন দিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল।করোনার দ্বিতীয় ধাপে দিঘলিয়া উপজেলায় এই ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। করোনা ভাইরাসের এ প্রাদুর্ভাব দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসনসহ সমাজের সচেতন মহলের মাঝে শংকা দেখা দিয়েছে।দ্বিতীয় ধাপে এ উপজেলায় ১৫জন আক্রান্ত হয়েছে।১৪জনকে হাসপাতালে ও বাসায় স্বাস্থ্য বিধির মাঝে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।দিঘলিয়া উপজেলায় করোনা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নিরোলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দিঘলিয়া করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধের সাথে সম্পৃক্ত সব মহল।করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো মাহবুবুল আলম এপ্রতিবেদককে জানান, এ উপজেলায় করোনা প্রতিরোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এব্যাপারে দিঘলিয়া উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাহবুবুল আলম এ ব্যাপারে জানান,করোনায় আক্রান্ত সবাই ভালো আছেন,সুস্থ আছেন।করোনা নামক এ মহামারী থেকে উপজেলাবাসীকে ভালো ও সুস্থ থাকতে সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানান।দিঘলিয়া উপজেলায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা ও সরকার ঘোষিত চলমান লকডাউন বাস্তবায়নে দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি ও দিঘলিয়া থানা পুলিশ সারা উপজেলায় মাঠ গরম করে চলেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো মাহবুবুল আলম ও দিঘলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ও জরিমানা করে উপজেলাবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ও লকডাউনে ঘরে থাকত বাধ্য করছেন। তব্ওু এ উপজেলার কর্মজীবী নারী-পুরুষ স্বাস্থ্য বিধি ও লকডাউন পুরোপুরি মানছেনা।এদিকে প্রথম ধাপে এ উপজেলায় করোনার টিকা নিয়েছিলেন ৬৭৮১জন এবং গত সোমবার পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে টিকা নিয়েছেন ১৭৪৩জন।
সৈয়দ জাহিদুজ্জামান ০১৭২১০৪৭৬৮০/০১৯৩৫৭৮৫৬৮০