সেনহাটি দুই গ্রপের সংঘর্ষের ঘটনায় ৭ জনকে আটক করেছে দিঘলিয়া থানা পুলিশ। তবে ওই ঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি বলে জানান দিঘলিয়া থানা পুলিশের কর্মকর্তা ইনচার্জ আহসান উল্লাহ চৌধুরী। দিঘলিয়া উপজেলার উত্তর চন্দনীমহলে বিবাদমান দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে ৩০/৩৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে শাহজাহান গাজীর(৫৫) অবস্থা আশংকাজনক।আহতরা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দিঘলিয়ার উত্তর চন্দনীমহলের জিয়াউর রহমানকে হত্যার চেষ্টা ও তার মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মারার ব্যাপারে আশরাফ গংদের বিরুদ্ধে দিঘলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করা নিয়েই এ সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।সংঘর্ষে রাস্তার ইট লাঠিসোটা ও অস্ত্র ব্যবহার হয়।এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,আশরাফ গং এলাকার চিহ্নিত সশস্ত্র সন্ত্রাসী। আশরাফের বিরুদ্ধে হত্যাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। সে এলাকার এক প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছাযায় এলাকার মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে।
ঘটনার ব্যাপারে মুঠোফোনে জিয়াউর রহমানের সাথে এ প্রতিবেদক যোগাযোগ করলে তিনি জানান,তার মাছের ঘেরে আশরাফ মোল্লা গং তাকে হত্যা চেষ্টা ও মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগের ব্যাপারে দিঘলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করার কারণে আশরাফ মোল্লার নেতৃত্বে ২০/২৫ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী নিয়ে তাঁর বাড়ি সহ অন্যান্য বাড়িতে চড়াও হয়। এ সময় এলাকার লোকজন চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে তারা তাদের লক্ষ্য করে বৃষ্টির মত ইট -পাটকেল ছুড়ে এবং ৪ রাউন্ড গুলি করে। গুলি ও ইটের আঘাতে শাহজাহান গাজী(৫৫), সাঈদ সরদার(৪৮),তবিবর সরদার(২৬), মুসা গাজী(২২),আব্বাস মোল্লা (২২), বেলায়েত মোল্লা (৩৬), হান্নান মোল্লা (৪৮) সহ ২০/৩০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুলিতে আহত শাহজাহান গাজীর অবস্থা আশংকাজনক। এ ব্যাপারে আশরাফ মোল্লার সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।এবিষয়ে দিঘলিয়া থানা পুলিশের কর্মকর্তা ইনচার্জ আহসান উল্লাহ চৌধুরী জানান আটককৃত দের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।