খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্চ সঞ্জয় দাশ এর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ দল এবং এক মহিলা লীগ কর্মী সম্পর্কে অশ্লীল মন্তব্য করা অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দলীয় সভানেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মহাপুলিশ পরিদর্শক (আই,জি,পি) নিকট লিখিত অভিযোগে উল্লেখ, উপজেলার প্রতাপকাটি গ্রামের রাবেয়া বেগম বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলা লীগের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে দলের জন্য কাজ করে আসছেন। দলীয় সভা সমাবেশে তার নের্তৃতে অসংখ্য মহিলা ও পুরুষ কর্মী সভাস্থলে হাজির হয়ে সভাস্থল প্রাণবন্তক করে তোলেন। দলের একজন নিবেদিতকর্মী হিসাবে তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে বা দলের সিনিয়র নেতারা তাকে যথেষ্ট ¯েœহ করেন। এলাকার মানুষ বিপদে আপদে তার নিকট আসেন। কপিলমুনি ফাঁড়ি ইনচার্চ সঞ্জয় দাশ বাজারের ধণাঢ্য প্রভাবশালী পুলোক সাধু পক্ষ নিয়ে দরিদ্র ফার্নীচার কারিগর নূর গাজীকে তার কাজ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেন। দরিদ্র নূর গাজীর রাস্তার অপর পাশে পুলোক সাধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। পুলোক এর আলিশান ভবনে ড্রিস্টিবিট ব্যবসার আড়ালে অন্য কোনো ব্যবসা থাকতে পারে, যা ফার্নীচার কারীগরের সম্মুখে ঘর হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে বলে তিনি সহ অনেকে মনে করেন। পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় দাশ এর কাছে পুলোক সাধু একটা লিখিত অভিযোগ করেছে বলে জানতে পেরে তাকে অনুরোধ করেন ৫ সদস্যের ওই দরিদ্র ফার্নীচার মিস্ত্রীকে অত্যাচার নির্যাতন না করতে কিন্তু উল্টো সে দল এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ মহিলা কর্মী তার সিনিয়ার জেলা-উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায় কয়েকজন নেতাকে এ বিষয় জানিয়েছেন। এমন কি এ বিষয় নিয়ে ১২ এপ্রিল সন্ধ্যায় স্থানীয় সাংবাদিকদের এক বৈঠকে তার স্বামী (সাংবাদিক ও বিনোদ বিহারী শিশু বিদ্যালয়ের কর্মচারী) উপস্থিতে পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় দাশ সেখানেও দল ও আমাকে এবং তার স্বামীর পেশা নিয়ে তাচ্ছিল ও অশ্লীলভাষা ব্যবহার করেন। একই স্থানে একাধিক বছর চাকুরি সুবাদে স্থানীয় নিজ ধর্মের প্রভাবশালী মানুষদের সাথে সঞ্জয় দাশ সখ্যতা গড়ে তুলেছেন। দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, ঘুষখোর ও জমাজমি দখল দেওয়া সহ চিহ্নিত এ পুলিশ কর্মকর্তা দলের ক্ষতি সহ দরিদ্র মানুষদের দলের প্রতি বিরূপমোনভাব তৈরী করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ। এ মহিলা কর্মী প্রধান মন্ত্রী এবং পুলিশ প্রধানের নিকট এ পুলিশ কর্মকর্তা সঞ্জয় দাশ এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে দলকে এবং দরিদ্র অসহায় মানুষদের রক্ষা করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।