লকডাউনের প্রথম দিন সোমবার খুলনার পাইকগাছায় সরকারী নির্দেশনা অমান্য করায় ভ্রাম্যামান আদালত দুই চা দোকানীকে ২৪ ঘন্টার কারাদণ্ড প্রদান করে। এ সময় একাধিক মোটরসাইকেল জব্দ করেন। সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দীকি পৌরসভার জিরোপন্টে চা দোকান খোলা রাখার অভিযোগে আবদুস সামাদ ও রজব আলী নামে দু'ভাইকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদলতে ২৪ ঘন্টার কারাদণ্ড প্রদান করেন। এ দু'জন উপজেলার গোপালপুরের বাসিন্দা। লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে উপজেলা প্রশাসন। যানবাহন চলাচলের উপর করা হয়েছে কড়াকড়ি আরোপ। ভ্রাম্যমাণ আদালত দুপুর ২ টার দিকে বাণিজ্যিক শহর কপিলমুনি থেকে যাত্রী পরিবহণ দায়ে ১টি বাস (ঢাকা মেট্রো-জ ১১-১৮৩০) জব্দ ও চালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু এবং ১টি পিকাপ (ঢাকা মেট্রো-ম ১৮-২৭৮৮) জব্দ ও চালক আমির হোসেন হাওলাদার কে আটক করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মুজিবুর রহামান মল্লিক। উপজেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দীকি, পুলিশের এএসপি (ডি সার্কেল) মোঃ হুমায়ুন কবির, থানার ওসি মোঃ এজাজ শফী পৌর বাজার মনিটরিং করার সময় সরকারী নির্দেশনার বাহিরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় ৫ ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন।
এদিকে সকাল ১১টায় বাণিজ্যিক শহর কপিলমুনি অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শাহরিয়ার হক। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কওসার আলী জোয়ার্দ্দার, ইউপি সচিব আবদুল গণী, উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের অফিস সহায়ক কার্তিক চন্দ্র হালদার, কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্চ সঞ্জয় কুমার দাশ, এস আই আবদুল আলিম সঙ্গীয় ফোর্স, সাংবাদিক মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, প্রবীর জয় ও তপন পাল প্রমুখ। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারিভাবে নির্দেশনা দেওয়া থাকলেও সচেতনতার অভাবে অনেকেই তা মানছেন না। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শাহরিয়ার হক কপিলমুনি পরিদর্শন কালে বাজারের ব্যবসায়ী ও পথ চারীদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সকলকে সরকারী নির্দেশনা মানতে নির্দেশ দেন। তিনি আরো বলেন, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সাথে সর্বসাধারণকে মাস্ক ব্যবহার পূর্বক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।