খুলনার পাইকগাছায় সোলাদানা ইউনিয়নে নির্বাচনি পোষ্টার টানোনো কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘর্ষে প্রার্থী আবদুল মান্নান গাজীর কর্মী সমার্থক ও বর্তমান চেয়ারম্যান এবং প্রার্থী এস এম এনামুল হকে সহ উভয় পক্ষের শতাধিক কর্মী সমার্থকরা মারাত্বক আহত হয়। এ ঘটনায় মান্নান গাজীর ভাই রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে ৬৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনের নামে গত ২৮ তারিখ মামলা করে। তার দুদিন পর বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক বাদী হয়ে ১২২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জনের নামে ৩০ মার্চ পাইকগাছা থানায় মামলা করেছে। গ্রেফতার ভয়ে প্রায় পুরুষ শূণ্য গ্রাম।
মামলা সূত্রে যানাগেছে, উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নে গত ২৭ মার্চ সকালে সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক এর কর্মী সমার্থকরা অত্র ইউপির দারুল উলুম মাদ্রাসা মোড়ে নির্বাচনী পোষ্টার টানানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চেয়ারম্যান এনামুল সহ উভয়পক্ষের শতাধিক ব্যক্তি মারাত্বক আহত হয়। আহতদের উপজেলা হাসপাতাল, গ্রাম্য ডাক্তার চিকিৎসা দিলেও আহতদের অবস্থা অবনতি হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান এনামুল হকের অবস্থা অবনতি হওয়ায় তাকে সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ'তে রাখা হয়। এ ঘটনায় আবদুল মান্নান এর ভাই রবিউল ইসলাম রবি বাদী হয়ে ৬৩ জনের নাম উল্লেখ করে পাইকগাছা থানায় মামলা করে। যার নাম্বার ৩১। অপরদিকে চেয়ারম্যান এনামুল হক গুরতর অসুস্থ থাকার কারণে ঘটনার ৩ দিন পর থানায় ১২২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে। যার নং ৩৩। এ ঘটনায় ঐদিনই পাইকগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনকে আটক করে। উভয় পক্ষের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাইকগাছা থানার ওসি (তদন্ত) আশরাফুল আলম বলেন, সঠিক ভাবে তদন্ত সম্পন্ন করা হবে। অহেতুক কাউকে মামলায় জড়ানো হবেনা।