ঢাকাণ্ডবগুড়া মহসড়কের শেরপুরের দশমাইল এলাকায় গত শুক্রবার মধ্যে রাতে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক ও সুপারভাইজারসহ ৪ জন নিহত এবং ১০জন আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন, বাসচালক রওশন হাবিব (৩৫) ও সুপারভাইজার মোস্তফা (২৫), যাত্রী রেজাউল করিম (২৩) ও বাবুল মিয়া (৫০)।
আহতরা হলেন- রনি (২০), ফরিদুল ইসলাম (২২), আল আমিন (১৯), ফজলু মিয়া (৫০), আজাদুল ইসলাম (৩০) ও সিরাজুল ইসলাম (৩৫)। তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি মহাসড়কের ওপর থাকায় প্রায় দুকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঘণ্টাব্যাপী যানজটের সৃষ্টি হয়। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বানিউল আনাম ও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা রতন হোসেন জানান, রংপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নাবিল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্টো-ব-১৪-৫৫২২) গত শুক্রবার রাত সোয়া ২টার দিকে ঢাকাণ্ডবগুড়া মহাসড়কের শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের দশমাইল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বগুড়াগামী দৃষ্টি পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্টো-ব-১৪-৬১৪৪) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে ঘটনাস্থলেই দৃষ্টি পরিবহনের চালক রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার কারফিখাল এলাকার রাজার মিয়ার ছেলে রওশন হাবিব ও নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার মানিক মিয়ার ছেলে সুপারভাইজার মোস্তফা নিহত হন। এতে দুটি বাসের ১১ যাত্রী গুরুত্বর আহত হন। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
বগুড়া সিলিমপুর মেডিকেল ফাঁড়ির এসআই আবদুল আজিজ ম-ল জানান, আহতদের ভর্তির পর শনিবার সকালে যাত্রী নিলফামারীর ডিমলা উপজেলার খোকা গোরি বাড়ি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে রেজাউল ইসলাম, একই উপজেলার পশ্চিম সাদনাই গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে বাবুল মিয়া মারা যান। বর্তমানে আরও ১০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।