আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেশবপুর পৌরসভার ৩ ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা জামালউদ্দীন সরদারের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগসহ ভাঙচুর করে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় কাউন্সিলর প্রার্থী জামালউদ্দীন সরদার বাদি হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী কাউন্সিলর প্রার্থী নাসিরউদ্দীন সরদারসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পৌরসভা নির্বাচনে ৩ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জামালউদ্দীন সরদার ফাইল কেবিনেট প্রতিক নিয়ে কেশবপুর সাগরদাঁড়ি সড়কের সাবদিয়া মোড়ে নির্বাচনী কার্যালয় নির্মাণ করে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই ওয়ার্ডে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অপার কাউন্সিলর প্রার্থী পাঞ্জাবী প্রতিকের প্রার্থী নাসিরউদ্দীন সরদারসহ তার কর্মী সমর্থকরা প্রায় সময় তার নির্বাচনী কাজে বাধা ও ক্ষতিসাধন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারী রাত সাড়ে ৭ টার সময় জামালউদ্দীন সরদার কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে তার কার্যালয়ে কর্মী সমাবেশ ও নির্বাচনী আলোচনা করছিলেন। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী কাউন্সিলর প্রার্থী নাসিরউদ্দীন সরদার ও তার ছেলে সবুজ হোসেন নীরবের নের্তৃত্বে ২০/২৫ জন যুবক লাঠিসোটা নিয়ে জামালউদ্দীন সরদারে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করে দুই লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। বাধা দিতে গেলে কাউন্সিলর জামালউদ্দীন সরদারের ভগ্নীপতি আবদুর রাজ্জাক, সমর্থক লুৎফর রহমান, ও আবদুস সালামকে তারা এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ কাউন্সিলর প্রার্থী নাসিরউদ্দীন সরদার বলেন, কেবা করা তার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করেছে তা তিনি জানেন না। সে মিথ্যাভাবে আমাকে ও আমার ছেলেকে দোষারোপ করছে।
উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম আরাফাত হোসেন বলেন, আভিযোগ পাওয়া গেছে। যাচাই বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।