কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনের আর মাত্র বাকি সাত দিন। শেষ মুহুর্ত্বে প্রার্থীদের সব থেকে বৃহ’ দায়িত্ব হয়ে পড়েছে নুতন ভোট গ্রহণ পদ্ধতি ইভিএম নিয়ে। ভোটারদের ইভিএমে ভোট দেয়ার প্রশিক্ষণ দিতে হচ্ছে প্রার্থীদের। কেশবপুরে এবারই প্রথম এ ধরণের ভোট প্রদান করবেন ভোটার রা। প্রতিদিন কাকডাকা ভোর থেকে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট চাওয়া ও কুশল বিনিময় করে চলেছেন। মেয়র পদে শেষাবধি দ্বি মুখি প্রতিদ্বন্ধিতার আভাস মিলেছে।
কেশবপুর পৌরসভার মেয়রসহ ১৩টি পদেও বিপরীতে ৫৪ প্রার্থীদের পদচারণায় সরব পৌর এলাকা।
উপজেলা রিটানিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। মেয়র পদে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক মেয়র আবদুস সামাদ বিশ্বাস (ধানের শীষ),আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান মেয়র রফিকুল ইসলাম( নৌকা)এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী আবদুল কাদের (হাতাপাখা )।
এছাড়া ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৯টি কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন পুরুষ প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে ১ নং ওয়ার্ডে আতিয়ার রহমান (উটপাখি), লিটন গাজী (টেবিল ল্যা¤প) ও সোহেল হাসান (পানির বোতল )। ২ নং ওয়ার্ডে হাবিবুর রহমান (উটপাখি )ও মশিয়ার রহমান (পানির বোতল)। ৩ নং ওয়ার্ডে জামাল উদ্দিন (ফাইল কেবিনেট), জি এম কবীর (উটপাখি), শেখ কামরুজ্জামান (পানির বোতল), নাছির উদ্দীন (পাঞ্জাবি), মোরশেদ আলী (ব্ল্যাক বোর্ড), আবদুর রাজ্জাক( টিউব লাইট), মশিয়ার রহমান( ব্রিজ), প্রদীপ চক্রবর্ত্তী (ডালিম), শওকত হোসেন( ঢেঁড়স), মনিরুজ্জামান (টেবিল ল্যা¤প )ও আজিবর মোড়ল (গাজর) প্রতীক। ৪ নং ওয়ার্ডে কুতুব উদ্দিন বিশ্বাস (ডালিম) আফজাল হোসেন বাবু (পানির বোতল)ও জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন (উটপাখি) প্রতীক। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে শহিদুজ্জামান বিশ্বাস (উটপাখি) ও মেহেদী হাসান (পানির বোতল)। ৬ নং ওয়ার্ডে জাকির হোসেন (পানির বোতল) ,আনিছুর রহমান (পাঞ্জাবি )ও মনোয়ার হোসেন (উটপাখি)। ৭ নং ওয়ার্ডে ওয়াজেদ খান ডবলু (ডালিম), কামাল খান (পাঞ্জাবি), আক্তারুজ্জামান (পানির বোতল) ও মানিক লাল সাহা পেয়েছেন (উটপাখি) প্রতীক। ৮ নং ওয়ার্ডে আবদুল হালিম মোড়ল (ডালিম), মফিজুর রহমান খান (উটপাখি), সেলিম খান( টেবিল ল্যা¤প), আমিনুল ইসলাম (পানির বোতল), খন্দকার মফিজুল ইসলাম (ব্রিজ), মিজানুর রহমান (পাঞ্জাবি)ও আবদুল গফুর মোড়ল (ব্ল্যাক বোর্ড )। নয় নম্বর ওয়ার্ডে এস এম এবাদত সিদ্দিক বিপুল (পানির বোতল), আবদুল বারিক বিশ্বাস (ব্রিজ)ও আবুল কালাম আজাদ (উটপাখি)।
সংরক্ষিত ৩টি আসনে রয়েছেন ১৩ প্রার্থী। সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডে মেহেরুন্নেছা (আনারস), রাশিদা খাতুন (চশমা),খাদিজা খাতুন (জবাফুল), মঞ্জুয়ারা বেগম( অটোরিক্সা)। সংরক্ষিত ২ নং ওয়ার্ডে আছিয়া খাতুন পেয়েছেন (জবাফুল), আছমা খাতুন (আনারস), শাহানা কবির (চশমা) ও রুপা আইচ (টেলিফোন )প্রতীক। সংরক্ষিত ৩ নং ওয়ার্ডে মনিরা খানম (জবাফুল), তহমিনা বেগম (বলপেন) আছমা খাতুন (চশমা), জাহানারা খানম( টেলিফোন) ও রিক্তা খাতুন আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন।