যশোর জেলা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) পুলিশের পৃৃৃৃথক অভিযানে কোতয়ালী, মণিরামপুর ও বাঘারপাড়া থানা এলাকা থেকে ৭১০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। এ সময় এক নারীসহ ৫ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। সোমবার রাত পৌনে আটটার দিকে কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে মাসুদ রানা(৩৪) কে ১৫০পিচ ইয়াবাসহ আটক করা হয়।মণিরামপুর থানার পৌরসভা এলাকা থেকে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোছাঃ আকলিমা বেগমকে ৬শ পিচ ইয়াবাসহ আটক করা হয়৷ বাঘারপাড়া থানা এলাকা থেকে ইকবাল হোসেন, সোহাগ হোসেন, ইলিয়াস শিকদারদের কাছ থেকে ১৬০পিচ ইয়াবাসহ ৩ জনকে আটক করা হয়। পৃৃৃৃথক তিন থানা এলাকা হতে ৫ জনকে আটক করা হয়। সেই সাথে তিন থানায় পৃৃৃৃথক ৩টি মাদক আইনে মামলা হয়েছে৷ যশোর জেলা গোয়েন্দা সংস্থা(ডিবি) পুলিশের এক প্রেস বিঙ্গপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। আটক আসামিরা হলো সদর উপজেলার কেফায়েত নগর বসুন্দিয়া মোড়ের মৃৃৃৃত সোহরাব বিশ্বাসের ছেলে মাসুদ রানা ও মণিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া রোডের এস.এম মতিয়ার রহমানের বাড়ির ভাড়া টিয়া ও সদর উপজেলার মুড়লী খাঁ পাড়ার আলমগীর হোসেন, আলম স্ত্রী আকলিমা বেগম এবং বাঘারপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর মধ্যপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলী ছেলে ইকবাল হোসেন, একই উপজেলর দয়ারামপুর পশ্চিমপাড়া মৃৃৃত আবুল মোল্যার ছেলে সোহাগ হোসেন,সদর উপজেলার সিটি কলেজপাড়ার মৃত হামিদ শিকদারের ছেলে ইলিয়াস শিকদারকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়৷
ডিবি পূলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোমেন দাশ জানান, কোতোয়ালি মডেল থানার খুলনা-যশোর মহাসড়কের বসুন্দিয়া মোড় থেকে মাসুদ ফার্নিচার দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে মাসুদ রানাকে ১৫০পিচ ইয়াবা সহ আটক করা হয়। মনিরামপুর থানার ৩ নম্বর ওয়ার্ড মনিরামপুর পৌসভা ঢাকুরিয়া রোডে এসএম মতিয়ার রহমান এর দো-তলা ভবনের নিচ তলার ভাড়া বাসা হইতে আকলিমা বেগমকে ৬শ পিচ ইয়াবাসহ আটক করা হয়। বাঘারপাড়া থানার দয়ারামপুর রাজব আলীর ধানক্ষেত এর সামনে পুনিয়ার বাজার টু নারিকেল বাড়িয়া বাজারে যাবার ইটের ছলিং রাস্তার উপর হইতে ইকবাল হোসেন,সোহাগ হোসেন, ইলিয়াস শিকদারকে ১৬০পিচ ইয়াবাসহ আটক করা হয়। কোতোয়ালি মডেল থানা, মনিরামপুর থানা, বাঘারপাড়া থানায় মাদক আইনে পৃৃৃৃথক তিনটি মামলা হয়েছে।