দিঘলিয়ার লোমহর্ষক মামুন হত্যাকাণ্ডের ৭দিন পার হলেও হত্যার রহস্য এখনও উন্মোচন হয়নি। পুলিশ এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। যদিও মামুন মৃত্যুর আগে স্বীকারোক্তিমূলকজবানবন্দি দিয়ে গেছে,যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। মামুনের মৃত্যুর পর দিন থেকে রিপন ও কানা মেহেদীসহ মামুন হত্যার আলামত নিয়ে কে বা কারা নানা রকম গুঞ্জণ ছড়াচ্ছে।
বিজ্ঞ মহলের অভিমত কনডম রিপন ও তার সঙ্গে ইতোপূর্বে বিবাদমান নানা পক্ষ,কানা মেহেদী ও তার সহোদর ও তাদের কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত মামুনের স্বীকারোক্তিমূলকজবানবন্দিকে সামনে নিয়ে তদন্ত করলে মামুন হত্যার রহস্য উন্মোচন হতে পারে। কেউ কেউ ধারণা করছে, ভৈরব নদী পথে আসা জ্বালানি তেল ও তেলের জাহাজের আধিপত্য বিস্তার অথবা নেশা দ্রব্যের আমদানি ও বেচাকেনা এ হত্যাকাণ্ডের কারণ হতে পারে।খুলনা এএসপি সার্কেল গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
উল্লেখ্য যে, গত ২৩ ডিসেম্বর রাতে সেনহাটি মধ্যমপাড়া নিবাসী মামুনকে কে বা কারা সুকৌশলে ফরমাইশখানা পরিত্যাক্ত একটা পাট গুদামের পিছনে নিয়ে হাত পা বেঁধে মুখে টেপ আটকিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ও লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে খুন জখম করে। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ইতোপূর্বে এ বার্ম্মাশেল খেয়াঘাটে শিশু সাকিব ও বাচ্চু হত্যা সহ একাধিক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। কোনো হত্যারই বিচার আলোর মুখ দেখতে পাই নি।আইনের ফাঁকে হারিয়ে গেছে সেই সকল মামলা।বিজ্ঞ মহলের জিজ্ঞাসা মামুন হত্যার রহস্য উন্মোচন হবে কী? এদিকে মামুন হত্যার ব্যাপারে দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ চৌধুরী এ প্রতিবেদককে জানান, মামুন হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত, তাদের গ্রেফতারের ব্যাপারে জোর অভিযান অব্যহত আছে। পুলিশ অপরাধীদের খুব তাড়াতাড়ি গ্রেফতার করতে সক্ষম হবে।