দিঘলিয়ায় অন্যের বাড়িতে বসবাস করেও অনেকে স্বপ্ন দেখছেন নিজের একটি বাড়ি।একটু মাথা গুজার ঠাঁই। তারা এখন প্রহর গুনছেন স্বপ্ন পূরণের আশায়। মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার "জমি নেই ঘর নেই"আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় এ সকল স্বপ্নবাজ মানুষের জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। বাছাই করে প্রস্তুত করা হয়েছে ভূমিহীনদের তালিকা। নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহে হস্তান্তর করা হতে পারে নির্মাণাধীন ৭০ টি ঘর।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার "জমি নেই ঘর নেই " এমন সকল পরিবারকে খাস জমিতে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সরকার। সরকারের এ যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছেন উপজেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে প্রভাবশালীদের দখলে থাকা খাস জমি উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন।খাস জমি উদ্ধার কাজ চলমান থাকবে বলে সূত্রটি জানিয়েছেন।দিঘলিয়ায় জোরদারভাবে চলছে গৃহ নির্মাণের কাজ। গতকাল নির্মানাধীন দুটি আশ্রয়ন প্রকল্পে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৭০টি সেমি পাকা ঘরের প্রায় ৭৫ ভাগ কাজ সম্পুর্ন হয়েছে। ২ শতাংশ জমির ওপর বারান্দাসহ দুটি কক্ষের টিন সেট ঘরে থাকছে এ্যাটাষ্ট বাথরুম ও রান্না ঘর।প্রতিটি ঘর নির্মাণে সরকারি ব্যয় বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। দিঘলিয়া গ্রামের ভৈরব নদীর তীরে ও হাজীগ্রামের আাতায় নদীর ধারে নির্মাণাধীন দুটি আশ্রয়ন প্রকল্প এখন সাজ সাজ রব।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুল আলম জানান মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার "জমি নেই ঘর নেই" এমন সকল পরিবারকে খাস জমিতে গৃহ নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উপজেলায় ইতোমধ্যে ১ একর ৪০ শতাংশ জমি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এ জমিতে ৭০ টি ভূমিহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। যা ২০২১ সালের প্রথম মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাসগৃহ গুলো টেকসই ও উপযোগী করার লক্ষে পাইকারি দরে উন্নত মানের টিন,ইট,বালু,সিমেন্ট সহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয় করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এবং ত্রাণ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক প্রকল্পের তদারকি করছেন।