রাস্তা জুড়ে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। কোথাও কোথাও রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরের সাথে মিশে গেছে। কৃষিপণ্য নিয়ে চলাচলের সময় যানবাহনগুলো উল্টে আহত হওয়ার ঘটনা প্রতিদিনের। এরকমই চিত্র ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের দুই কিলোমিটার রাস্তার। বেহাল রাস্তা মেরামতের অভাবে ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকার হাজারো মানুষ। দেখার যেন কেউ নেই। জনপ্রতিনিধিদের আশার বানী শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার স্কুল-কলেজ পড়ূয়া শিক্ষার্থীদের।
হরিণাকুন্ডুর রঘুনাথপুর ইউনিয়নের গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের চলাচলের একমাত্র এই রাস্তাটি ১০ থেকে ১২ বছর হলো সংস্কার করা হয় না। ফলে দুই কিলোমিটার পাকা রাস্তা এখন মানুষের গলার কাটা হয়ে দেখা দিয়েছে। গাড়াবাড়ীয়া গ্রামে প্রায় তিন হাজার মানুষের বসবাস। গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের একমাত্র রাস্তাটি বছরের পর বছর সংস্কারের অভাবে অচল হয়ে পড়েছে। দুই ধারে পুকুর থাকায় বর্তমান রাস্তাটি অনেক সরু হয়ে গেছে। অনেক স্থানে রাস্তা ভেঙে পুকুরে চলে গেছে। ফলে যানবাহন চলাচল তো দুরের কথা, পায়ে হেঁটে চলাচল করতে কষ্ট হয়। এরপরও রাস্তা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করার ফলে প্রায় সময় দুর্ঘটনা ঘটছে।
গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের শিক্ষক মঈন উদ্দিন জানান, জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি প্রায় দুই যুগ ধরে উন্নয়নের কোনছোঁয়া লাগেনি। সংস্কারের জন্য তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দারস্থ হয়েছেন, কিন্তু কোন কাজ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান রাসেল বলেন, হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের রাস্তা দিয়ে কৃষকের ঘরে উঠে। রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ অনেক ভোগান্তিতে পড়ছে। আমি চেষ্টা করছি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাটি মেরামত করে দেওয়ার।