বগুড়ার শেরপুরের কুসুম্বী ইউনিয়ন আওয়ামী কৃষকলীগের তৃ-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় সভাপতি প্রার্থী জামিল উদ্দিন(৩৭), বড় ভাই রেজাউল করিম মিঠু (৪৫), তার ছেলে শিমুল(২০) আবদুর রাজ্জাকের সমর্থক রাব্বি (১৯) ও আজিজুল হক (১৯) আহত হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই ৩০ নভেম্বর সোমবার সকালে শেরপুর থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা যায়, উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গত রোববার বিকেলে দীর্ঘ ৪ বছর পর আলহাজ¦ ফজলুল হকের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী কৃষকলীগের তৃ-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা কৃষকলীগের সভাপতি আলমগীর বাদশা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুন্জুরুল হক মুঞ্জু। অনুষ্ঠানে প্রথম অধিবেশন ভালভাবে শেষ হলেও সন্ধ্যা ৭ টার দিকে উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হলে সভাপতি পদে খিকিন্দা গ্রামের জামিল উদ্দিন, উচুলবাড়িয়া গ্রামের মাহাবুল আলম ও কেল্লা গ্রামের আবদুর রাজ্জাক প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এদের মধ্যে সমঝোতা করে মাহাবুল আলম প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে সাধারণ সম্পাদক পদ পায়। সভাপতি প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক ও জামিল কে নিয়ে বগুড়া জেলা কৃষকলীগের সভাপতি আলমগীর বাদশা ও উপজেলার নের্তৃবৃন্দ সমঝোতা করাতে বসে। সমঝোতা না হওয়ায় আবদুর রাজ্জাকের সমর্থকরা জামিলের সমর্থকদের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়। এরই একপর্যায়ে সমাবেশে থাকা প্লাস্টিকের চেয়ার দিয়ে মারপিট শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের জামিল উদ্দিন, রেজাউল করিম মিঠু, শিমুল, রাব্বি ও আজিজুল হক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শেরপুর উপজেলা কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ৩০ নভেম্বর সোমবার সকালে জামিলের পক্ষে বুলবুল আহম্মেদ ১২ জন ও রাজ্জাকের পক্ষে মিলনুর রহমান মিলন বাদি হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, মারপিটের ঘটনায় দু’পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।