বড়াইগ্রামের দাসগ্রাম ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানার হযরত আলীর নিয়োগ বাণিজ্য, কমিটি ছাড়াই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, মাদরাসার জমি লিজ ও দোকান ভাড়ার অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
শনিবার দাসগ্রাম বাজারে মাদরাসার সামনে আয়োজিত ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনকালে চান্দাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠণিক সম্পাদক আবদুল মালেক মোল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব আলম বকুল, চান্দাই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিুবর রহমান, ছাত্র অভিভাবক ও ইউপি সদস্য সেলিম রেজা বাবু এবং হাফিজুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা একরামুল আলম বক্তব্য রাখেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ হযরত আলী ২০১৪ সালে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে ১৩ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে তৎকালীন কমিটির সহায়তায় প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রতি বছর মাদরাসার নিজস্ব একশ’ বিঘা জমি লিজের টাকা, মাদরাসা মার্কেটের ৫০ টি দোকান ঘরের ভাড়া তিনি নিজেই তুলে আত্মসাৎ করছেন। বার্ষিক ইসলামি জালসায় প্রায় ৩/৪ লাখ টাকা আদায় হলেও তার কোন হিসাব নেই। ২০১৮ সালে মাদরাসার নিয়মিত কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও নানা অজুহাতে অদ্যাবধি কোন কমিটি গঠণ করেননি। কমিটি ছাড়া স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে তিনি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করে বক্তারা অবিলম্বে তদন্ত সাপেক্ষে এসব অনিয়ম দুর্নীতির বিচার দাবী করেন। অন্যথায় আগামী দিনে ঝাড়- মিছিলসহ কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন তারা।
তবে মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হযরত আলীর কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নানা জটিলতায় কমিটি গঠণ করা হয়নি, অল্প সময়ের মধ্যেই এডহক কমিটি গঠণ করা হবে। শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে টাকা নেয়া ও অন্যান্য অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সঠিক নয়।