রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার এনএটিটি প্রকল্পের আওতায় প্রাণীসম্পদ দপ্তরের খামরীদের মাঝে প্রদর্শনীর মালামাল বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় উপজেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কুমার সরকারের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আলমগীর হোসেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম, ফেজ-ওও প্রজেক্ট (এনএটিপি-২) গোদাগাড়ী উপজেলার ০৯টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে ৩টি করে কমন ইন্টারেস্ট গ্রুপ (সিআইজি) রয়েছে যারা সমবায় কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রকল্প কতৃক কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে প্রশিক্ষণ প্রদান, নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান, বিনামূল্যে টিকা প্রদান, বিনামূল্যে কৃমিনাশক ওষুধ প্রদান, গাভীর বন্ধ্যাত্ব দূরীকরন ক্যাম্পেইন, বিভিন্ন প্রকার প্রদর্শনী প্রদান, একাষ্ট্রপোজার ভিজিট, সিআইজি নন-সিআইজি খামারী সমাবেশ মাঠ দিবস পালন সহ আরও নানাবিধ কার্যক্রম।
প্রকল্পের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০২০-২১ অর্থ বছরের উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর কতৃক ০৯ টি গাভীপালন সিআইজি, ০৮ টি গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ সিআইজি, ০১ টি মুরগি পালন সিআইজির মোট ১৮ জন নির্বাচিত খামারীদের মাঝে গোখাদ্য, চিটাগুড়, ভিটামিন মিনারেল প্রিমিক্স, কৃমিনাশক বড়ি, ভ্যাকসিন, মুরগির ঘর ও খাদ্য, সাইনবোর্ড, রেজিস্টার খাতা, কলম এবং ব্রিফিং ভাতা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন,ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ সম্পা রানী দাস, ডাঃ নার্গীস জাহান, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, ফিল্ড এ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ মিজানুর রহমান সহ গোদাগাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মহোদয় বলেন, প্রান্তিক খামারীদের উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে তাদেরকে গবাদিপশু লালন পালনে আরও উদ্যেগী হওয়ার মাধ্যেমে দারিদ্রতা দূরীকরনে ভুমিকা রাখার জন্য। খামারীদের উদ্দেশ্যে প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ নার্গীস জাহান বলেন, প্রকল্পের লক্ষ্য উদ্দ্শ্যে পূরনে আন্তরিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।