গত ২৪ সেপ্টেম্বর অপরিচিত ফোন নম্বর থেকে ছেলেটির সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয় মেয়টির। মুঠোফোনেই তাদের প্রেম, অথচ কেউ কাউকে চেনে না। মেয়েটিকে সে তার তার নাম বলেছে সাগর। কথার তিন দিনের মাথায় দেখা করতে চায় ছেলেটি।
২৭ সেপ্টেম্বর, রাত সাড়ে ১২ টা। ছেলেটির অনুরোধে মেয়েটি বাড়ি থেকে বের হয়ে বগুড়া সদরের নুনগোলা ইউনিয়নের এক স্থানে দাঁড়িয়ে থাকে। ছেলেটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে আসে। সে অটোরিকশা চালক। মেয়েটিকে গাড়িতে তুলে নিয়ে বগুড়া সদরের এরুলিয়া কাহলা গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে সে। পরে মেয়েটিকে ভয় দেখিয়ে বাড়ি যেতে বলে।
মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মাকে সবকিছু জানায়। তার বাবা-মা অনেক খোঁজ করেও ছেলেটির সন্ধান পায়নি।
পরে পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে ওই ছেলে মেয়েটির কাছ থেকে পরিচয় লুকিয়ে রাখতে সাগর নাম ব্যবহার করেছে। তার প্রকৃত নাম হলো আমিনুর। তার বয়স ২৭ বছর।
পুলিশ বলছে, মেয়েটির মুখে বর্ণনা শুনে রোববার দিবাগত রাতে ৩ টার দিকে আমিনুরকে আটক করা হয়। পরে সোমবার সকালে তাকে মেয়টির মুখোমুখি করা হয়। মেয়েটি তাকে শনাক্ত করেছে।
এই ঘটনায় সোমবার সকালে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলার পর আমিনুরকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
গ্রেফতার আমিনুর বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নের কাহলা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আলতাব হোসেন।
আর ওই ভুক্তভোগি মেয়ের বয়স ১৫ বছর। সে একটি মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর আমিন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমিনুর ধর্ষণের কাঁথা স্বীকার করেছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে সে স্বীকারক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছে।