রাজশাহীর মোহনপুরে আদালতের নিষেধজ্ঞার নোটিশ পাওয়ার পরেও জোর করে ফ্লাট বাড়ি নিমাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষে মধ্যে চরম উত্তোজনা বিরাজ করছে। যেকোন সময় বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে করছেন সচেতন মহল। নিমাণকৃত বাড়ির মালিক আলমাস হোসেন আদালতের নিষেধাজ্ঞার নোটিশ পেয়ছি স্বীকার করে বলেন, থানার পুলিশ নিষেধ না করা পযন্ত তার বাড়ি নিমাণ কাজ চালিয়ে যাবেন। গত ২৭ অক্টোবর আদালত হতে মোহনপুর থানায় নিষেধাজ্ঞার প্রতিবেদন চেয়ে নোটিশ আসলও এখন পযন্ত বিষয়টি আমলে নেয়নি পুলিশ।
অভিযোগ ও এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার মতিহার গ্রামের আলমাস মন্ডলের সাথে বসত বাড়ির সীমনার জমি নিয়ে প্রতিবেশি ইসমাইল হোসেন ও ইমাম হোসেনের বিরোধ চলে আসছিল। ওই জমি নিয়ে ইসমাইল হোসেন ও ইমাম হোসেন বাদি আলমাস মন্ডলসহ তার লোকজনকে আসামি করে আদালতে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করেন। ইসমাইল হোসেনের মসমলায় আদালত আসামিদেরকে ৭ দিনের কারণ দশানোর নোটিশ প্রদান করে। আসামিরা গত ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখে আদালতে হাজির হয়ে সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। আদালতে মামলা থাকার পরেও আলমাস মন্ডল নালিশী ১২ শতক সম্পত্তির মধ্যে সোয়া ১ শতক দখল করে ফ্লাট বাড়ি নিমাণ কাজ শুরু করে। ওই সময় ইসমাইল হোসেন নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। গত ২০২০ সালের ২ জানুয়ারি আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তারপর থেকে বাড়ি নিমাণ কাজ বন্ধ ছিল। হঠাৎ করে গত ১৬ অক্টোবর সকাল ১০ টার সময় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লাঠি, ধারলো হাঁসুয়া, ফালা নিয়ে আলমাস মন্ডল ও তার পূনরায় বাড়ির নিমাণ কাজ শুরু করে। গত ১৯ অক্টোবর ইসমাইল হোসেন আবারও নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালত মামলা দায়ের করেন। আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। পুলিশের প্রতিবেদন না পাঠানো পযন্ত কোন পক্ষ যেন জমিতে কাজ করতে না পারে সেজন্য গত ২৭ অক্টোবর মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নিদেশ দেন আদালত। এছাড়াও গত ২২ অক্টোবর আদালতের মাধ্যমে আলমাস মন্ডলকে নিষেধাজ্ঞার নোটিশ হয়। কিন্তু নোটিশ পাওয়ার পরেও আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাড়ি নিমাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মোহনপুর থানার পুলিশ রয়েছে নিরব ভূমিকায়।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, আদালতে হতে নিষেধাজ্ঞার নোটিশ আসার পর তা তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য এসআই আবদুর রাজ্জাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আবদুর রাজ্জাকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে পাঠানো হবে।