রাজশাহীর বাগমারায় তাহেরপুর পৌরসভার সুলতানপুর মহল্লার ভিক্ষুককে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা মামলার আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো বাচ্চু মোল্লাহ (৪৭) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। স্থানীয়রা আহহত বাচ্চু মোল্লাকে ্উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বাগমারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। ওই ঘটনায় বাচ্চু মোল্লাহ নিজেই বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
জানা যায়, ভিক্ষুককে পিটানোর মামলার স্বাক্ষী সন্দেহে ওই মামলার আসামি আলী হোসেন ও তার দুই ছেলে দীর্ঘ দিন থেকে এক্ই গ্রামের বাচ্চু মোল্লাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। গত ২৫ অক্টোবর দুপুরে বাচ্চু মোল্লা তার বাড়ির পার্শ্বে জমিতে মাছ ধরার জন্য খেয়াজাল বসানোর কাজ করছিল। এ সময় আসামি আলী হোসেন খেয়াজাল বসানোকে কেন্দ্র করে বাচ্চু মোল্লাহর সাথে বাক-বিতান্ডা হয়। বাক-বিতান্ডার ্এক পর্যায়ে আলী হোসেন তার লোকজন নিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাচ্চু মোল্লাহর ্উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের হামলায় বাচ্চু মোল্লা রক্তাক্ত জখম হয়। হামলার বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে ্আসলে তারা পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন ্আহত বাচ্চু মোল্লাহকে ্উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বাগমারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। আহত বাচ্চু মোল্লাহ অভিযোগ করেন, আলী হোসেনসহ বেশ কয়েকজনের ্একটি সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে। তারা এলাকায় সব সময় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার চেষ্টা লিপ্ত ্আছে। বেশ কিছু দিন পূর্বে সফেদা নামের ্এক ভিক্ষুক ও তার মেয়ে সোহাগী বিবিকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। অদ্যবদি তাদেরকে বাড়িতে ্আসতে দেয় ন্ইা। ্আমি ওই মামলার স্বাক্ষী আছি বলে আলী হোসেন তার লোকজন দিয়ে ্আমার ্উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছেন। তিনি এই হামলার সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক বিচারের দাবী জানান।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার ওসি ্আতাউর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, লিখিত অভিযোগটি তদন্তের জন্য থানার ্এক উপপরিদর্শককে দায়ীত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।