কচুয়া উপজেলায় লক্ষাধিক লোকের চাহিদা অপেক্ষা টিসিবির মালের স্বল্পতার কারণে এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ প্রকাশ এবং কেউ কেউ মাল ক্রয় করতে না পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। (কোভিট -১৯) করোনার কারণে যেখানে মানুষ ঠিকমত কাজ করতে পারছেন না এবং ঠিকমত আয়- রোজগারও করতে পারছেন না। এ ছাড়া সামনে আসছে মৃত্যুদূত করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ধাপ,একারনে করোনার জন্য সরকারের দেওয়া স্বল্প মূল্্েয টিসিবির মাল ক্রয়ের এই সুযোগটি কেউই ছাড়তে চাচ্ছেন না। বিষয়টি জানতে পেরে এলাকাবাসী ভোর রাত থেকে এসে লাইনে দাড়াচ্ছে স্বল্প মূল্্েয টিসিবির মাল ক্রয়ের জন্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় মালের স্বল্পতার কারণে প্রতিবারই দূর দুরন্ত থেকে লোকজন এসে তাদেও চাহিদা অনুযায়ী মাল না পেয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছেন। কচুয়া টিসিবি মালের ডিলার “সবুরা ট্রেডার্স ”এর মালিক মোঃ মনিরুজ্জামান ঝুমুর বলেন, আমি কচুয়ার এই চাহিদার কথা বার বার ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট জানিয়ে কোন লাভ হয়নি, জেলা শহর বাগেরহাট সহ অন্যান্য উপজেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী মাল পাচ্ছে, কিন্তু আমরা আমাদের চাহিদা অনুযায়ী টিসিবির মালামাল পচ্ছি না। ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ শুধু আমাদের বলছেন, পর্যায়ক্রমে এলাকা বাসির চাহিদা অনুযায়ী টিসিবির বরাদ্দ বাড়িয়ে দেয়া হবে। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না।
কচুয়া উপজেলায় লক্ষাধিক লোকের চাহিদা বেশী থাকলেও গত ২৩ অক্টোবরের চতুর্থ বরাদ্দের চিঠিতে দেখা যায় যে, উপজেলায় লক্ষাধিক লোকের জন্য বরাদ্দ জন্য করেছেন মাত্র সয়াবিন তেল-৪০০লিটার(মুল্য-৮০/=), চিনি-৫০০কেজি(মুল্য-৫০/=), মশুর ডাল-৫০০কেজি(মুল্য-৫০/=) এবং পিয়াজ মাত্র-৫০০কেজি (মুল্য-৩০/=) যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।আর এ কারণে প্রতিবারই স্বল্প মূল্্েয টিসিবির মাল ক্রয়ের জন্য দূর দরন্ত থেকে আসা মানুষগুলো ক্ষোভ প্রকাশ করছেন আবার কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে কেঁদে ফেলছেন।
একারনে কচুয়াবাসী ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ সহ কচুয়া-বাগেরহাট এলাকার সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে আগামী বরাদ্দেই এলাকা বাসির চাহিদা অনুযায়ী টিসিবির বরাদ্দ বাড়িয়ে দেয়া হয়।