গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ি জগৎবন্ধু পাবলিক ইনস্টিটিউশন (জেবিপি) উচ্চ বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তবে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক এই অনিয়মের কথা অস্বীকার করেছেন।
জানাগেছে, গত ২৬আগস্ট বান্ধাবাড়ি জেবিপি উচ্চবিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দপ্তরী নিয়োগের জন্য একটি জাতীয় ও একটি স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়। এই বিজ্ঞপ্তিতে সাড়া দিয়ে ১২ জন প্রার্থী আবেদন করেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১২জন আবেদনকারীর মধ্যে নিয়োগ পরীক্ষায় ১১জন আবেদনকারী অংশগ্রহণ করেন। এই ১১জন প্রার্থীর মধ্যে মো: শাহিন হাওলাদারকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিয়োগ প্রদান করে।
বিদ্যালয়টির অফিসসূত্রে জানাগেছে, নিয়োগপ্রাপ্ত মো: শাহিন হাওলাদার আবেদনপত্রের সঙ্গে অস্টম শ্রেণি পাসের যে সনদপত্র প্রদান করেছেন সেখানে তার জন্ম তারিখ ১২মে ১৯৮৯। অপরদিকে জাতীয় পরিচয়পত্রে মো: শাহিন হাওলাদারের জন্ম তারিখ ৬জুলাই ১৯৮৫।
নিয়োগ বঞ্চিত হামিদ মৃধা বলেন, আমরা যে ১১জনে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলাম তাদের মধ্যে মো: শাহিন হাওলাদার বাদে সকলেই এসএসসি ও এইচএসসি পাস। একমাত্র মো: শাহিদ হাওলাদারই অস্টম শ্রেণি পাস। সেখানে মো: শাহিন হাওলাদারই যোগ্য বলে বিবেচিত হলো। আর আমরা হলাম অযোগ্য। অপরদিকে মো: শাহিন হাওলাদারের জন্ম তারিখও দুইটি। আমার ধারণা মো: শাহিন হাওলাদার বিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে এই নিয়োগ পেয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে মো: শাহিন হাওলাদার বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আমি কোন ভাবেই প্রভাবিত করিনি। আমি আমার যোগ্যতায় দপ্তরী পদে চাকুরী পেয়েছি।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক শেখ আবদুর রশিদ বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের ফলাফলের ভিত্তিতে মো: শাহিন হাওলাদারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের জন্ম তারিখ দেখে নিয়োগ দিয়েছি। এখানে জাতীয় পরিচয় পত্রের কোন গুরুত্ব নেই।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান বলেন, দপ্তরী নিয়োগে যদি কোন অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।