বগুড়ায় যমুনা ও বাঙালী নদীতে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। ফলে চতুর্থ দফা বন্যায় বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের কৃষকদের গাইঞ্জা ধান ও মাস কালাই বিনষ্ট হয়েছে। এছাড়াও অর্থকরি ফসল মরিচ বপনের সময় পার হতে চললেও এখন চাষীরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে সারিয়াকান্দির কাছে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ১০ সে.মি ও বাঙালী নদীর পানি ৪৮ সে.মি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। যমুনা নদীতে পানি কমতে শুরু করলেও বাঙালী নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যহত আছে। এ পানি বৃদ্ধির কারণে সারিয়াকান্দি উপজেলায় সাড়ে ৪শ হেক্টর জমি বিভিন্ন ফসল পানির নিচে তলিয়ে আছে। এরইমধ্য উল্লেখযোগ্য আমনের আবাদ রয়েছে। এছাড়াও মাসকালাই ২২ হেক্টর সহ অন্যান্য ফসল পানির নিচে তলিয়ে আছে।
বাটি চরের মোখলেছার রহমান জানান, আমাদের শেষ সম্বল গাইঞ্জা ফসল পানিতে তলিয়ে থাকায় ও জমি থেকে এখনও পানি নেমে না যাওয়ায় মরিচের চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
অপরদিকে সোনাতলা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ আহম্মেদ জানান, বাঙালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায় নি। তবে এ পর্যন্ত ৩শ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল পানির নিচে তলিয়ে আছে।