বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার ৫ম শ্রোনীর এক স্কুলছাত্রীকে গত ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে অপহরণ করে নিয়েযায়। মঙ্গলবার রাতে অপহৃতা মা রেহানা বেগম বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পুলিশ অপহৃতাকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করে ও অপহরনকারিকে বরিশাল সদর থেকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে অপহৃতাকে জবানবন্ধির জন্য বরিশাল আদালতে ও ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতাকৃত রাসেল মুন্সীকে আদালতের নির্দেশে তাকে বরিশাল কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও আগৈলঝাড়া থানার এসআই তৈয়বুর রহমান জানায়, জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের পূর্ব সুজনকাঠী গ্রামের নুরু সরদারের মেয়ে ও গৈলা শিশুনিকেতর বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রোনীর শিক্ষার্থী রিমি আক্তার ওরফে রাবেয়াকে গত সোমবার বিকেলে বাড়ির সামনে রাস্তা থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বরিশাল সদর থানার কর্নকাঠী গ্রামের আবদুল লতিফ মুন্সীর ছেলে রাসেল মুন্সী (২৩)।
এঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর মা রেহানা বেগম বাদী হয়ে মঙ্গলবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন, যার নং-১৩। ওই মামলার আসামি অপহরণ কারিকে মঙ্গলবার রাতে বরিশাল র্যাব-৮ এর সহযোগীতায় অপহরণকারী রাসেল মুন্সীকে বরিশাল সদর থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার কৃতকে জিজ্ঞাসাবাদে তার তথ্য মতে রিমি আক্তারকে রাজধানী ঢাকা মিরপুর এক থেকে উদ্ধার করে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা আগৈলঝাড়া থানার এসআই তৈয়বুর রহমান।
বৃহস্পতিবার সকালে অপহৃতাকে জবানবন্ধির জন্য বরিশাল আদালতে ও ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতাকৃত রাসেল মুন্সীকে বরিশাল আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্দেশে তাকে বরিশাল কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।
অপহৃতা শিক্ষার্থীর মা রেহানা বেগম সাংবাদিকদের বলে, আমার মেয়ে রিমি ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাস্তায়বের হলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে য়ায। আমি থানায় মামলা করলে পুলিশ আমার মেয়েকে ঢাকা মিরপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে। অপহরণ কারিকে গ্রেফতার করে জেলে দিয়েছে।
এব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানা কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, অপহরণ কারিকে গ্রেফতার ও আপহৃতাকে উদ্ধার করেছি।