বগুড়ার শেরপুরে গরু বোঝাই ভটভটি উল্টে খাদে পড়ে শাহীন আলম (২৮) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের দড়িখাগা গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে। এ ঘটনায় আরও দশ ব্যক্তি গুরুত্বর আহত হয়েছেন। তাদেরকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (০৪সেপ্টেম্বর) রাতে শেরপুর-ধুনট আঞ্চলিক সড়কের রণবীরবালা ঘাটপাড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন- উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. আসলাম হোসেন, আবদুল মুন্নাফ, চাঁন মিয়া, বাবলু মিয়া, আবদুস সোবহান, জাহাঙ্গীর আলম, বাবলু মিয়া, শাহজামাল, আবুল কালাম ও দুদু মিয়া।
শেরপুর ফায়ার সার্ভিস এ- সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা মো. রতন হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, জেলার ধুনট উপজেলার হাসুখালি হাট থেকে সাতটি গরু বোঝাই ভটভটি (নছিমন) ও আরেকটি খালি ভটভটি শেরপুর শহরের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ওই স্থানে পৌঁছলে ভটভটি দু’টি পাল্লা দিয়ে একে অপরকে ওভারটেকিং করার চেষ্টা করতে থাকে। একপর্যায়ে গরু বোঝাই ভটভটি উল্টে আঞ্চলিক সড়কটির পাশে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই গরু ব্যবসায়ী শাহীন আলম মারা যান। পরে এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু অবস্থার অবনতি ঘটলে তাৎক্ষণিক তাদেরকে বগুড়ায় শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন বলে জানান এই ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা।
শেরপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির সুরতহাল রির্পোট তৈরীর পর স্বজনদের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। ভটভটি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। আর ওই ভটভটিতে থাকা গরু স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় রাখা হয়েছে। ওই ঘটনায় থানায় একটি মামলা নেয়া হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।