বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে চুক্তিবদ্ধ মিল মালিকরা সরকারি খাদ্য গুদামে চাল দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন। খোলা বাজারে ধান চালের দাম বেশি পাওয়ায় এ মৌসুমে মিলাররা গুদামে চাল দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে গত ৩১ আগস্ট এর মধ্য দিয়ে সরকারি ক্রয় অভিযানের সময় সীমা শেষ হয়েছে। সংগ্রহ কম হওয়ার কারণে সরকার আরোও ১৫ দিনের সময় বৃদ্ধি করে দেন আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। উপজেলায় সিদ্ধ চাল ১০৬৪৯ মে.টন সংগ্রহ করার কথা থাকলেও সংগ্রহ হয়েছে ৫৮৯৩ মে.টন। অপর দিকে ২২৬৩ মে.টন ধান সংগ্রহ করার কথা থাকলেও সংগ্রহ হয়েছে ১২৫০ মে.টন। তবে এ পর্যন্ত ৩টি গুদামে ক্রয় করা হয়নি আলো চাল। আদমদীঘি উপজেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা যায়, বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় চলতি ক্রয় মৌসুমে সান্তাহার এলএসডিতে সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৬৩৭ মে.টন। এ পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়েছে ২০৪৪ মে.টন। নসরতপুর এলএসডিতে ২২০০ মে.টন। সংগ্রহ করা হয়েছে ২০০০ মে.টন। আদমদীঘি সদর এলএসডিতে সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৭১ মে.টন। সংগ্রহ করা হয়েছে ৫৪২ মে.টন। সব মিলে প্রায় ৫৬ শতাংশ চাল ক্রয় করা সম্ভব হয়েছে।
এ নিয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পরিতোষ কুমার এর সাথে কথা বলা হলে তিনি উপর্যুক্ত তথ্যের কথা স্বীকার করে বলেন, এগ্রিমেন্টভুক্ত মিল মালিকরা চাল দিতে অনাগ্র প্রকাশ করায় ক্রয় অভিযানের এই পরিস্থিতি। তবে এখনো ১৩ দিন বাকি রয়েছে। এই ১৩ দিনের মধ্যে আরোও বেশকিছু চাল ও ধান সংগ্রহ করা সম্ভব হতে পারে।