উজিরপুর হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডাক্তার সব্যসাচী দাস এর বিরুদ্ধে ভূয়া মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রদানের অভিযোগে বরিশাল সিভিল সার্জনের নির্দেশে তদন্ত শুরু করেছে একটি তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির সদস্যরা ১২ আগস্ট বুধবার উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তদন্ত কার্যক্রমেযান বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাক্তার এসএম কবির হাসান, মেডিকেল কর্মকর্তা ডাক্তার নাজমুল ইসলাম, প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক মো. মহিউদ্দিন উকিল।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাবুগঞ্জ উপজেলার রাহুতকাঠী গ্রামের মৃত মৌজে আলী সিকদারের ছেলে মো.কবির সিকদারের সাথে একই বাড়ির মৃত ফিরোজ সিকদারের ছেলে তৌফিকুল ইসলাম শুভর সাথে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর মারামারি সংঘটিত হয়। ওই দিন মো. তৌফিকুল ইসলাম শুভ সামান্য আঘাত নিয়ে উজিরপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়। ওইদিন বাবুগঞ্জ থানায় শুভর মা মাহামুদা বেগম বাদী হয়ে জিআর ৮৭/১৯ মামলা দায়ের করে। বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ উজিরপুর হাসপাতাল থেকে ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর ডাক্তর সব্যসাচী দাস একটি জখমী সার্টিফিকেট প্রদান করে যার মেমো নং-১১৭৩। রোগীর ভর্তি রেজিষ্ট্রারে শরীরে সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত উল্লেখ থাকলেও সার্টিফিকেটে একাধিকবার গুরুতর জখমের কথা উল্লেখ করেছেন। এমনকি রোগীর ভূয়া স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে এবং মামলার লিখিত অভিযোগের সাথে সার্টিফিকেটের সাথে কোন মিল নেই।
এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী কবির সিকদার বরিশাল সিভিল সার্জন বরাবরে ডাক্তার সব্যসাচীর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর আলোকে বরিশাল সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. মনোয়ার হোসেন ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত হঠন করে দেয়ন। ওই তদন্তা টিম তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।
উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পঃপঃ কর্মকর্তা ডাক্তার শওকত আলী জানান, একটি অভিযোগের আলোকে সিভিল সার্জন স্যারের নির্দেশে একটি তদন্ত টীম তদন্তে অসছিলো।