৩ আগস্ট দৈনিক প্রথম আলো অনলাইন পত্রিকায় আজম খানকে হত্যার উদ্দেশ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হামলা চালানোর বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদের প্রতিবাদে শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম আবু বকর চৌধুরী তার লিখিত বক্তব্যে জানান, ১৯৮৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় রাজপথে প্রকাশ্যে দিবালোকে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর শহীদ ময়েজউদ্দিনকে জাতীয় পাটির প্রেসিডিয়াম সদস্য আজম খান নির্মমভাবে হত্যা করে। ১/১১ সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেদিন গ্রেফতার হয় সেদিন খুনি আজম খান ঢাকার রাজপথে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ-উল্লাস করেছিল। আজম খান জাতীয় পার্টি ও বিএনপি জোট সরকারের সময় উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের নারগানা গ্রামে হিন্দু মুসলমানের জমি অন্যায় ভাবে জোরপূর্বক দখল করে ইন্টারন্যাশনাল রিসোর্ট সেন্টার স্থাপন করে অপরাধের স্বর্গরাজ্য গড়ে তোলেন। সেখানে দেশী-বিদেশী প্রমোদ বালা এনে আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত থাকায় এলাকাবাসী বিভিন্ন সময় তাকে প্রতিরোধ করে।
উল্লেখ্য, ঈদের পরের দিন ২ আগস্ট আজম খান তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল রিসোর্ট সেন্টারে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকাবস্থায় স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে তাদের ধাওয়া করে। এ সময় আজম খান অবস্থা বেগতিক দেখে কৌশলে নদী পথে নৌকাযোগে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিক্ষুদ্ধ জনতা তাকে না পেয়ে স্থানীয়রা তাকে কালীগঞ্জে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন।
এই সময় অন্যান্যের মাঝে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পরিমল চন্দ্র ঘোষ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, কালীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম রবিন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, জামালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান খান ফারুক মাষ্টার, উপজেলা আওয়ামী লীগ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল, সহ-দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান বরুন, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি এস এম আলমগীর হোসেন, পৌর যুবলীগের সভাপতি মো. বাদল হোসেন ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক আশরাফী রেজাউর রহমান খোকন, উপজেলা আওয়ামী ছাত্রলীগ সভাপতি তানভীর মোল্লা, কালীগঞ্জ সরকারী শ্রমিক কলেজ শাখা, ছাত্রলীগ সভাপতি লিকন উপস্থিত ছিলেন।