দেশে ৯০ ভাগ চিনি বেরকারিভাবে উৎপান হয়। আর ১০ ভাগ সরকারিভাবে। তবে আখের রস দিয়ে গুড় তৈরী করা হোক, আর চিনি দিয়ে পাটারী তৈরী করা হোক, কারখানা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরী করতে হবে। উৎপাদিত দ্রব্য দিয়ে যেন ক্ষতি না হয়, সেই দিকে খেয়াল রেখে করতে হবে। আমার জানা মতে আড়ানী পৌর এলাকায় শতাধিক কারখানায় গুড় তৈরী করা হচ্চে। এই শতাধিক কারখানায় প্রায় ২০ হাজার পরিবার জীবিকা নির্ভর করছে। তবে এই কারখানায় স্বাস্থ্যসস্মত উপায়ে গুড় তৈরী করার আহবান জানান সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম মকুট।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী সরকারি মনোমোহিনী উচ্চবিদ্যালয়ের হলরুমে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা বিভাগ ঈশ্বর্দীর বাস্তবায়নে আড়ানী পৌর এলাকায় নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গুড় তৈরী শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আয়োজিত কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বর্দীর পরিচালক ড. সনজিৎ কুমার পাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড, লায়েব উদ্দীন লাভলু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা, আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী, চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বর্দীর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের নারী সদস্য জয়জয়ন্তী সরকার মালতী, আড়ানী ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি শহীদুজ্জামান শাহীদ, আড়ানী গুড় তৈরী কমিটির সভাপতি মিন্টু আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক নওশাদ আলী, একরামুল হক সনদ, মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার দাস, ব্যবসায়ী শামিম আহম্মেদ প্রমুখ।
আয়োজিত প্রশিক্ষণে গুড় তৈরী কমিটির সদস্যরা বলেন