রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার গোছা সোনার পাড়া গ্রাম থেকে শনিবার সন্ধায় মৌসুমী আক্তার (১৯) নামের এক নববধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ওই গৃহবধূর মা শামসুনাহার বাদি হয়ে আজ রোববার মোহনপুর থানায় হত্যার মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ স্বামী নুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, মৌসুমী আত্মহত্যা করেছেন। তবে বাবার বাড়ির লোকজন বলছে, মৌসুমীকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন। মৌসুমী গোছা সোনার পাড়া গ্রামের নুর ইসলামের স্ত্রী এবং ঢাকা গাজীপুরের এরশাদ আলীর মেয়ে।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় তিন মাস আগে উপজেলার গোছা সোনারপাড়া গ্রামের আলামিন ইসলামের ছেলে নুর ইসলাম (২৬) সাথে মৌসুমীর বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকে স্বামীর স্ত্রীর মধ্যে কলহ সৃষ্টি হয়। শনিবার সন্ধার সময় ঘরের ফাঁনের সাথে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মৌসুমীর লাশ পাওয়া যায়। স্বামীর পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে মোহনপুর থানা-পুলিশ সন্ধার সময় লাশটি উদ্ধার করে।
গৃহবধূর মৌসুমীর বাবা এরশাদ আলী অভিযোগ করেন, দাম্পত্য কলহের জের ধরে মৌসুমীকে তাঁর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করেছে। বিষয়টি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাইছে তারা।
মোহনপুর থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এটি হত্যা না আত্মহত্যা বোঝা যাবে। থানায় হত্যার মামলা হয়েছে।