ছোট্ট বেবি নিয়ে এই বিরুপ আবহাওয়া তেও শপিং এ আসছেন কি পেটের দায়ে? আমাদেরও বেবি আছে, পরিবার আছে, আমাদেরও ভয় করে, কেন লুকোচুরি খেলে নিজেকে ঝুঁকিতে ফেলছেন, আর আমাদেরকেও ঝুঁকিতে ফেলছেন? সকল দায় কি শুধু প্রশাসনের? আপনি নাগরিক হিসেবে কোন দায়িত্ব নাই? একটা ঈদ শপিং নাইবা করলেন। বুধবার বিকেলে সিংড়ায় শপিং মহলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় কয়েকজন মহিলাকে এই কথাগুলো বলছিলেন সিংড়ার ইউএনও মোছা. নাসরিন বানু। সিংড়ায় ১২জন পুলিশসহ ১৮জনের করোনা পজেটিভ হওয়ায় পুলিশ ছাড়াই বিরুপ আবহাওয়ার মধ্যে একাই অভিযানে যান ইউএনও। এসময় তিনজন কাপড় ব্যবসায়ীকে সাড়ে ৪হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ইউএনও মোছাঃ নাসরিন বানু বলেন, জেলার সিংড়ায় সবচেয়ে বেশি করোনা পজেটিভ হওয়ায় এই উপজেলার জনগণ বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। মাইকিং করে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও বাজারে মানুষের ভীড় কমছে না। করোনা পজেটিভ এর কারণে থানার বেশির ভাগ ফোর্স কোয়ারেন্টাইনে বাধ্য হয়েছেন। আমাকে একাই পুরো উপজেলাতেই ছুটতে হচ্ছে। মানুষ এতো অসচেতন যে পকেটে মাস্ক নিয়ে ঘোরাফেরা করে। এর পর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা যদি করোনা আক্রান্ত হয়, তবে ভেবে দেখেছেন কি হবে?