আগামী জুলাই মাসে তিনটি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে ইংল্যান্ডে সফরে যেতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। তবে করোনা মহামারি কবলিত দেশটি সফরের জন্য ক্রিকেটারদের জোর করা হবে না বলে জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। পিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিম খান একটি নিউজ চ্যানেলকে বলেছেন, ‘ইসিবির সঙ্গে শুক্রবার আমাদের সবকিছু নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। পিসিবি নীতিগতভাবে জুলাইতে ইংল্যান্ডে আমাদের দল পাঠাতে রাজি হয়েছে।’ ভিডিও কনফারেন্সে হওয়া এই আলোচনায় দুই বোর্ডই একমত হয়েছে যে খেলা হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে, বিশেষ করে যে স্টেডিয়ামগুলোর সঙ্গে হোটেল আছে। ‘কোনও খেলোয়াড় যদি যেতে না চায়, তার সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নেবো আর তার বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না’- জানিয়ে ওয়াসিম খান বলেছেন, যদিও তিনি জানেন প্রতিটি খেলোয়াড়ই ইংল্যান্ড সফরে যেতে চাইবেন। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে চারটি ভাড়া করা বিমানে ইংল্যান্ডে যাবে ২৫ জন খেলোয়াড়, সেখানে গিয়েই থাকতে হবে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে। ম্যানচেস্টার এবং সাউদাম্পটন সম্ভবত টেস্ট সিরিজের ভেন্যু হচ্ছে, ইসিবি খুব শিগগিরই তৃতীয় ভেন্যুর নাম জানিয়ে দেবে। করোনা-পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি হয়নি। সুতরাং সফরে খুব সতর্কভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ওয়াসিম খান স্বাস্থ্যবিধি প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘জীবানু-সুরক্ষার জন্য সব ব্যবস্থাই নেবে আয়োজক দেশ। গোটা সফরেই আমাদের সঙ্গে থাকবে একটি মেডিকেল টিম। নিয়মিতভাবে আমাদের সব খেলোয়াড়ের পরীক্ষা ও শরীরের তাপমাত্রা দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এই কঠিন সময়ে ক্রিকেট আবার শুরু করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ আগামী সপ্তাহে এই সফর সম্পর্কে টেস্ট অধিনায়ক আজহার আলী এবং সীমিত ওভারের ক্রিকেট অধিনায়ক বাবর আজমকে ইংল্যান্ড সফরের খুঁটিনাটি জানানো হবে। ইংল্যান্ডের প্রস্তুতির ব্যাপারে সকল খেলোয়াড়কেই জানানো হবে ক্রমান্বয়ে। এই সপ্তাহেই ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড ঘোষণা দেয় যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার লক্ষ্যে তাদের খেলোয়াড়েরা কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুশীলনে নামতে পারে। প্রসঙ্গত,ইংল্যান্ডে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ, মৃতের সংখ্যা ২৭ হাজারেরও বেশি।