তানোর পৌর সভার কাউন্সিলর ও কর্মচারীদের কোনআন শিখার ব্যবস্থা করেছেন তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। তানোর পৌর সভার হলরুমে সমাজিক দুরত্ব বজায় রেখে পৌর সভার কমিশনার ও পৌর কর্মচারীদের কোরআন শিখার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
তানোর পৌর কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনার কারণে পৌরসভায় সকল প্রকার কাজকর্ম বন্ধ থাকলেও করোনার প্রভাবে এই দুর্যোগ মুহুর্তে জনগনের মাঝে সরকারের ত্রান বিতরনের জন্য পৌর কার্যালয়ে অবস্থান করতে হচ্ছে। রোজার কারণে যোহরের নামাজের পর বসে বসে খোশ গল্প আর আড্ডা দেয়া ছাড়া তেমন কোন কাজকর্ম থাকেনা। মেয়র মহাদয়, সবাইকে বল্লেন, কে কে কোরআন পড়া জানেন ? অনেকেই জানেন না বলার পর। মেয়র বল্লেন, পৌরসভার সভা কক্ষে যদি একজন হাফেজকে ডেকে আমরা সবাই কোরআন শিখা শুরু করি তাহলে কেমন হবে। এমন কথার জবাবে সবাই মেয়রকে বলেন ভালো হবে, এবং সবাই মেয়র কোরআন শিখার ব্যবস্থা চালুর কথা জানান। গত (৯ই মে) থেকে পৌর সভার হলরুমে কোরআন শিখার ব্যবস্থা চালু করায় আমরা কোরআন শিখার সুযোগ পাচ্ছি।
তবে, উচ্ছা পোষনকারীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে এখানে এসে কোরআন শিখার সুযোগ রয়েছে তানোর পৌর মেয়র মিজান তার ফেইস বুকে ছবিসহ পোষ্ট দিয়েছেন। মেয়র মিজানের এমন পোষ্টকে সাগত জানিয়ে অনেকেই সেখানে গিয়ে কোরআন শিখার সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোরআন শিখা শুরু করেছেন বলেও জানান পৌর কর্মকর্তা/কর্মচারীরা। মেয়র মিজানের ব্যাক্তিগত ইচ্ছেতে তিনি কোরআন শিক্ষার ব্যাবস্থা করেছেন বলেও জানান কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা/কর্মচারীরা। তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, পৌর সভার কাউন্সিলরসহ ও কর্মকর্তা/কর্মচারীর অনেকেই কোরআন পড়তে জানেন না, করোনার প্রভাবে পৌর সভায় ছুটি রয়েছে কিন্তু সরকারের নির্দেশে ত্রান বিতরনের জন্য সকলকেই পৌর কার্যালয়ে থাকতে হচ্ছে, বেকার বসে না থেকে এই সুযোগে যেন সবাই কোরআন শিখতে পারেন সেজন্য একজন হাফেজ ডেকে কোরআন শিক্ষার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।