রাজশাহীর বাঘায় গলায় ফাঁস দিয়ে জুয়েল আহম্মেদ (৩০) নামের এক স্কুল শিক্ষক আত্মহত্যা করেছে। তিনি উপজেলার জোতরাঘব এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত ৩টার দিকে নিজ বাড়ির পাশের আম গাছের ডালে সাথে গলায় রশি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করে। জুয়েল আহম্মেদ বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালি সদর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক।
নিহতের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হতো। এক পর্যায়ে তাদের দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদ ঘটে। তারপর থেকেই সে মানষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ে। অপর দিকে তার চাকরি বেতনভুক্ত না হওয়ার কারনেও সে প্রচন্ড বিপর্যয়ে ছিলেন। ধারনা করা হচ্ছে এই সমস্ত কারনেই জুয়েল আহম্মেদ আত্মহত্যার পথ বেছে নেই। করোনা ভাইরাসের কারণে সারা দেশ ব্যাপি ছুটি চলছে। এই ছুটির মধ্যে কিছু দিন আগে তিনি নিজ বাড়িতে আসে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বাঘা থানা কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে। পারিবারিকভাবে কারও কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ ময়না তদন্ত না করে দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।