রাজশাহীর তানোর থানার পুলিশ কনস্টেবল ও পরিচ্ছন্ন কর্মীর শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়ার পর দুই এসআইসহ ১৫ জন পুলিশ কন্সটেবলকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকালে তাদেরকে থানা থেকে পার্শ্বে অবস্থিত সরকারি আবদুল করিম সরকার কলেজ ভবনে স্থানান্তর করা হয়। এরআগে (৫ মে) মঙ্গলবার বেশ কয়েকজন পুলিশকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়।
তানোর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) রাকিবুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, পুরো থানা চত্বর ওয়াস করার জন্য আপাতত এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ ছাড়া থানায় স্বল্প জায়গায় সামাজিক দূরত্ব সম্ভব নয়। ফলে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা দুই এসআই ও ১৫ জন পুলিশ কন্সটেবলকে কলেজ ভবনে কোয়ারেন্টাইনে স্থানান্তর করা হয়। এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ হচ্ছে। তবে, তানোর থানা লকডাউনের প্রশ্নই আসে না। থানা সবার জন্য উম্মুক্ত বলে জানান ওসি।
এদিকে, থানা পুলিশ করোনায় আক্রান্তের খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো উপজেলাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ফলে থানা মোড়ে ও তানোর বাজার এলাকায় অন্যান্য দিনের চেয়ে গত মঙ্গলবার বুধবার মানুষের চলাফেরা খুবই কম লক্ষ্য করা গেছে।
প্রসঙ্গ, ভারত ফেরত উপজেলার হাঁপানিয়া গ্রামের জার্জিসের পুত্র নছিব উদ্দিনের (১৮) শরীরে (২৮এপ্রিল) করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। পেশাগত দায়িত্বের জায়গা থেকে ওই যুবকের সংস্পর্শে যেতে হয় থানা পুলিশ সংশ্লিষ্টদের।
ফলে গত (৪মে) মেডিকেল পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায় পুলিশ কনস্টেবল আলী হোসেন (৪২) ও থানার পরিছন্নকর্মী আবদুল মালেকের (৩৩) শরীরে। সম্প্রতি থানা স্টাফ আলী হোসেন ও পরিছন্নকর্মী আবদুল মালেকের সংস্পর্শে চলাফেরায় ১৫ জন কন্সটেবল ও ২ এসআইকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়।