মাহমুদউল্লাহর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান খুব সমৃদ্ধ নয়। নামের পাশে নেই ৫-৬ হাজার রান বা অনেক সেঞ্চুরি। তবে দলের জন্য একজন মাহমুদউল্লাহ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটিই উঠে এলো তামিম ইকবালের কণ্ঠে। বাংলাদেশের সফলতম ব্যাটসম্যান জানালেন, যেভাবে দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে খেলেন মাহমুদউল্লাহ, তাকে নিয়ে গর্ব করেন দলের সবাই। ইনস্টাগ্রাম লাইভে রোববার রাতে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন তামিম ইকবাল। সেই আলাপচারিতায় কথা প্রসঙ্গে গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ দলে মাহমুদউল্লাহর ভূমিকা তুলে ধরেন জাতীয় দলের ওপেনার। “আমি আপনাকে অনেক সময়ই এটা বলি রিয়াদ ভাই, আমাদের দেশে আমরা কেবল ৭০-৮০ বা সেঞ্চুরিকেই মূল্যবান মনে করি। কিন্তু আপনি এদিক থেকে মাঝেমধ্যে দুর্ভাগা, আমার মনে হয়। আপনার ৩০-৩৫ রানের যে ইনিংসগুলি আছে, হয়তো অতটা কৃতিত্ব পায় না, কিন্তু আমরা যারা টিমমেট, আমরা উপলব্ধি করতে পারি যে আপনার এই ৩০-৩৫ রানের ইনিংসগুলো কতটা মূল্যবান।” “কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওসব ইনিংস ৭০-৮০ রানের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি এটা বলতে চাই, আমরা টিমমেটরা যারা আছি, আপনার এই ৩০-৪০ রান ও নিঃস্বার্থভাবে খেলা, উইকেটে গিয়েই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, আপনাকে নিয়ে আমরা সবাই গর্ব করি।” মাহমুদউল্লাহ হাসিমুখে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তামিমকে। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের পাকিস্তান সফর চান সাঙ্গাকারাআন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য নিরাপদ পাকিস্তানÑএমন যারা ভাবেন তাদের মধ্যে সবার ওপরে নিঃসন্দেহে থাকবেন কুমার সাঙ্গাকারা। এবার শ্রীলঙ্কান এই কিংবদন্তি দাবি করেন, পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার এখন যা অবস্থা তাতে দিব্যি সেখানে গিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে আসতে পারে অস্ট্রেলিয়া কিংবা ইংল্যান্ডের মতো দল। এমসিসি সভাপতি সাঙ্গাকারা বলেন, এশিয়ার কোনো দল সেখানে সফরে গেল কি না, এটা কোনো ব্যাপার না। আমি মনে করি, নিরাপত্তার আশ্বাস পেলে এবং এই বিষয়ে আলোচনা হওয়ার পর ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার পাকিস্তান সফরের ব্যাপারে মনোস্থির করা উচিত। আমার মতে, পাকিস্তান এখন নিরাপদ।’ এই মুহূর্তে পাকিস্তানে লম্বা সময়ের জন্য খেলতে যাওয়ার বাস্তবতা অবশ্য দেখছেন না সাঙ্গাকারা। তিনি বলেন, ‘লম্বা সফরের সঠিক সময় এটি নয়, আমি মনে করি না, নিকট ভবিষ্যতে পাঁচ টেস্টের সিরিজের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ পরপর খেলতে দেখব। আমার মনে হয়, দুটি টেস্ট খেলে একটা বিরতি এরপর ফিরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলা যেতে পারে।’ সবশেষ ২০০৫ সালে পাকিস্তান সফর করে ইংল্যান্ড। ২০০০ সালের পর দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে ওই একবারই খেলেছে তারা। অস্ট্রেলিয়া তো আরো আগে থেকেই পাকিস্তানে খেলতে যায় না, সবশেষ সফর করেছিল সেই ১৯৯৮ সালে। ২০০৯ সালে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের বাইরে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের বহনকারী বাসে সন্ত্রাসী হামলায় ছয় জন ক্রিকেটার আহত হন, ছয় পুলিশসহ আট জন প্রাণ হারান। এরপর থেকে লম্বা সময়ের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ হয়ে যায় পাকিস্তানে। সেই হামলার অন্যতম শিকার সাঙ্গাকারা গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সফরে যান এমসিসি দলের নেতৃত্ব নিয়ে।