রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা গোপালপুর গ্রামের জোর করে বাড়িতে প্রবেশের পর অন্ত:সত্তা গৃহবধূকে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে মারপিট ও হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার গৃহবধূর শশুর বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মোহনপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর ঘটনাস্থল থেকে চারজন আসামিকে আটক করেছে পুলিশ।
অভিযোগ ও এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলামের সাথে প্রতিবেশী রইচ উদ্দিনের ছেলে বাবর আলীর দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। ওই শুক্রতার জের ধরে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭ টার সময় প্রতিপক্ষ বাবর আলী (৪০), স্ত্রী রিনা পারভিন (৩২), মেয়ে সাথী আক্তার বর্ষা (২০), মা রাশেদা বেগম (৫৫) ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ লোক নিয়ে জোর করে রফিকুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করে। ওই সময় গৃহবধূ মুন্নি আক্তার (২০) নিজ শয়ন রুমে ছিলেন। প্রতিপক্ষরা গৃহবধূ মুন্নি আক্তার (২০) প্রথম রশি দিয়ে হাত ও পা বেঁধে লোহার রড দিয়ে মারপিটের পর হত্যার চেষ্টা করতে থাকে। ওই সময় গৃহবূর চিৎকারে আশে-পাশে লোকজন ছুটে আসেন। ঘটনাটি শুনার পর গ্রামবাসি মিলিত হয়ে বাবর আলীসহ তার পরিবারের লোকজনকে ধাওয়া করে। ওই সময় তারা পালাতে গিয়ে বাবর আলী, স্ত্রী রিনা পারভিন ও মা রাশেদা বেগম সামন্য আহত হয়েছে। এদিকে আহত অবস্থায় অন্ত:সত্তা গৃহবধূ মুন্নি আক্তারকে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়েছে। গৃহবধূ মুন্নি আক্তারের স্বামীর নাম মনিরুল ইসলাম। মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ জানান, ঘটনার পর গ্রামবাসির মধ্যে চরম উত্তোজনা বিরাজ করছিল। গৃহবধূর শশুর রফিকুল ইসলামের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করেছে।