দেশব্যাপী করোনা মোকাবেলায় যখন গোটা পুলিশ বাহিনী প্রতিটি সদস্য মানুষের কল্যানে নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। ঠিক তখনি বগুড়ার বিভিন্ন থানা ফাঁড়ীঁর কতিপয় অসথ পুলিশ সদস্যদের অনৈতিক ও নীতি বর্জিত কর্মকান্ড পুলিশ বাহিনী তথা জেলা পুলিশের মহতী উদ্যোগকে প্রশ্নবৃদ্ধ করছে।
এমনি নীতি বর্জিত কর্মকান্ডে মোটরসাইকেল চালককে আটক করে জোরপূর্বক টাকা নেওয়ার অভিযোগে বগুড়ার গাবতলী থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি সার্বিক) সহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার এবং স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।
প্রত্যাহারকৃতরা হলেন , ওসি সাবের রেজা আহম্মেদ থানার বাগবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ মুসা এবং এএসআই দ্রর তারা হলেন— বগুড়া পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসএআই) নুর মোহাম্মদ।
জানা গেছে, নীতি বর্জিত কর্মকান্ডের কারনে ২৮ এপ্রিল এএসআই নুর মোহাম্মদকে বাগবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে বগুড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের ভিত্তিতে বগুড়া পুলিশ সুপার মুহা আলী আশরাফ ভূঞাঁ বিপিএম(বার) বিষয়টি সত্য মিথ্যা যাচাই ও পূঙ্খানুভাবে তদন্তের জন্য গাবতলী থানার অফিসার ইনচার্জ সাবের রেজা আহম্মেদকে নির্দেশ প্রদান করেন ।
কিন্তু মামলার তদন্তকালে ওসি সাবের রেজা আহম্মেদ এবং ইন্সপেক্টর মূসা তদন্তের সকল নিয়ম নীতি ভঙ্গ করে অভিযোগকারীর উপর চাপ সৃষ্টি করেন এবং তার সাথে অসথ আচরন করেন । পরে বিষয়টি বগুড়ার কৃতি পুলিশ সুপার অবগত হবার পর পরই ৩০এপ্রিল বৃহস্পতিবার অপর দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার আদেশ প্রদান করেন। পরে তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পুলিশ সদর ঢাকার এক আদেশে তাদেরকে ৬ষ্ঠ খাগড়াছড়ি আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নে বদলী করা হয় ।