বগুড়ায় করোনায় সংক্রামিত হয়েছেন এবং ল্যাব রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার খবরে ফুটটুস (পালিয়ে যাওয়া)ব্যক্তির সন্ধান অবশেষে মিলেছে । বুধবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার শেখেরকোলা গ্রামে থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে ।
একটি সূত্রে দাবী করা হয়েছে যে ওই ব্যাক্তির গ্রামের বাড়ী সেখানে । সেখানেই সে আত্বগোপন করে ছিল। তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর শেষ খবর পর্যন্ত সেই গ্রামের বাড়ী লকডাউন করা হয়েছে বলে একটি সূত্রে বলা হয়েছে। ।
ঢাকার একটি নামকরা ওষধ কোম্পানীতে চাকুরীরত ওই ব্যাক্তি গত কয়েক দিন আগে বগুড়ায় আসেন। মঙ্গলবার সকালে নার্স স্ত্রীর চাপে তিনি তার নমুনা হাসপাতালের ল্যাবে জমা দেন। রাতে হাসপাতালে পরীক্ষার ফলাফলে তার রির্পোট পজেটিভ আসে। এদিকে ওই ব্যাক্তি কোভিড-১৯ এ সংক্রামিত হবার ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ সেখানে যায় । কিন্তু অনেক রাত অবধি আক্রান্ত ব্যাক্তির বাড়ীর খোঁজ না পেয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে হয়রানীর মুখে পড়তে হয়।
পরে বুধবার দিন এবং রাতে খোঁজ খবর করার এক পর্যায়ে শহরের ফুলতলা এলাকার ওই ব্যাক্তির ভাড়া বাড়ীর খোজ পাওয়া যায়। সেখানে গিয়ে তার নার্স স্ত্রী ও তার ১২বছরের ছেলের সন্ধান পাওয়া যায় । তাদের কাছ থেকে শশুড় বাড়ীর ঠিকানা তারা নিশ্চিত হবার পরে রাতেই করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সেই বাড়ী সহ আশেপাশের চার-পাঁচটি বাড়ী লকডাউন করা হয়।
এইদিকে শেখেরকোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ডালিম জানান,বুধবার সন্ধ্যার পর জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে ফোন করে যখন তাকে জানানো হয় যে, স্বামীর করোনা পজেটিভ রির্পোটে তার স্ত্রী ওই ব্যাক্তির সাথে অস্বাভাবিক আচরন করেছিল। ফলে স্ত্রীর খারাপ আচরণ সহ্য করতে না পেরে তিনি বাধ্য হয়ে তার গ্রামের বাড়ীতে পালিয়ে গেছে।
তিনি আরো দাবী করেন, বিষয়টি জানার পরই তিনি বিষয়টি বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি সার্বিক ) এসএম বদিউজ্জামানকে অবহিত করেণ। পরে তাকে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বিধি মত ব্যবস্থা গ্রহন করেন স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা ।
একটি নির্ভর যোগ্য সূত্র জানায়, করোনা সংক্রামিত ওই ব্যক্তির স্ত্রী একজন নার্স এবং তিনি বগুড়ার একটি সরকারী হাসপাতালে কর্মরত ।
এদিকে বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর খোরশেদ আলম জানান,অনেক চেষ্টার পর আমরা বুধবার রাতে ফুলতলা এলাকায় ওই ব্যক্তির ভাড়া বাসার সন্ধান জানতে পারি ।