বগুড়ায় ঢাকা থেকে আগত এক ব্যাক্তির শরীরের করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত (পজেটিভ) হবার কথা শুনে ফটটুস হয়ে গেছেন । অন্যদিকে সঠিক ঠিকানা না পাওয়ায় বাড়ি লকডাউন করতে গিয়ে স্থানীয় প্রশাসন এখন বিপাকে ।
ঘটনাটি শহরের ফুলতলা এলাকার ।
জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা হন্নে হয়ে তাকে খুঁজে পেতে গোটা শহর চশে বেড়াচ্ছেন।
রোগীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১১টা পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানা গেছে, ঢাকার একটি নামকরা ওষুধ কেম্পানীতে কর্মরত এমদাদুল হক (৪০) নামের এক ব্যাক্তি গত কয়েক দিন আগে বগুড়া শহরের ফুলতলা এলাকার তার বাড়ীতে আসে । প্রথম দিকে তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ ধরা না পড়লেও পড়ে তার শলীরে সামান্য আকারে উপসর্গ দেখা দেয় । পরে তার পরিবারের পরামর্শে মঙ্গলবার সকালে তিনি হাসপাতালে করোনা ভাইনাস পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন।
এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এবং তিনি কোভিড-১৯ এ সংক্রামিত হয়েছেন এমন বিষয়টি তাকে ফোনে জানান স্বাস্থ্য বিভাগ। একটি সূত্র জানান, বিষয়টি অবহিত হবার পর ওই ব্যক্তি প্রথমে তার মোবাইল ফোনটি সুইচট অফ করে দেন । পরে তিনি বেমালুম হাওয়া হয়ে যান।
এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা সরকারী বিধি মত তার বাড়ি লকডাউন করতে ফুলতলা এলাকায় গেলে আক্রান্ত ব্যাক্তি এবং তার বাড়ীর কোন হদিস না পেয়ে তাদের চোখ কপালে উঠে যায়।
এসময় ওই সংক্রামনিত ব্যাক্তির বাড়ি শনাক্তের জন্য যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর, পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা হন্য হয়ে খুঁজতে থাকেন কোভিড-১৯ এর জীবানু বহনকারী ব্যাক্তির বাড়ী । কিন্তু এলাকার কেউ তাকে চিনতে কিম্বা তার বাড়ীর ঠিকানা জানাতে পারেননি।
এদিকে, মঙ্গলবার রাতে সকল মাধ্যমে খোঁজ খবর করেও করোনা ভাইরাসে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ওই ব্যক্তির সন্ধান এবং সহযোগিতা চেয়েছেন এলাকার পৌর কাউন্সিলর খোরশেদ আলম।