করোনা পরিস্থিতিতে অসহায়দের সাহায্যে বগুড়ার নন্দীগ্রামে কলেজছাত্রী প্রীতি বালা টিফিনের জমানো টাকা দিলো ইউএনওকে। বুধবার সকালে সে উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. শারমিন আখতারের হাতে ৫ হাজার টাকা তুলে দেন।
জানা গেছে, করোনাভাইরাসের প্রভাবে বগুড়া জেলা এখন লকডাউন। এর প্রভাবে থমকে গেছে অর্থনীতির চাকা, কর্মহীন হয়ে পড়েছে নন্দীগ্রাম উপজেলার মানুষ। দুর্দশা আর দৈন্যতায় দিন কাটছে নিম্নআয়ের মানুষদের।
এই অবস্থায় প্রিয়জনদের থেকে পাওয়া উপহার ও স্কুলের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে জমানো টাকা কর্মহীন, অসহায়, অসচ্ছল ও অভুক্ত মানুষদের মাঝে উপহার দিয়েছে হাটকড়ই ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী প্রীতি বালা। সে উপজেলার গোপালপুর গ্রামের কাজল চন্দ্র রায়ের মেয়ে।
কলেজ ছাত্রী প্রীতি বালা জানায়, করোনার প্রভাবে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই আমি আমার ৩ বছরের টিফিনের জমানো টাকা ও বিভিন্ন সময় উপহারের জমানো টাকা গরীব মানুষদের জন্য দিয়েছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. শারমিন আখতার জানান, কলেজছাত্রী প্রীতি বালা টিফিনের জমানো টাকা খরচ না করে সে কর্মহীন, অসহায় মানুষদের মাঝে উপহার দিয়েছে। যা অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।