বরাদ্দ কম থাকায় ফলে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলাতে ভোজ্য তেল, চিনি ও ডালসহ অন্যান্য পণ্য চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের টিসিবি পণ্য পাচ্ছে না নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ।
আদমদীঘি উপজেলার টিসিবি ডিলার অশিত দেবনাথ বাপ্পা জানান, বরাদ্দ কম থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে এক তৃতীয়াংশ চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া বগুড়া জেলা সদর ও বিভাগীয় শহরে প্রায় প্রতিদিনই ট্রাকে করে টিসিবি পণ্য সরবরাহ করা হলেও আদমদীঘি উপজেলায় চলতি মাসে মাত্র ৪ দিন সরবরাহ করা হয়েছে। এমন বৈষম্যের কারণে নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ টিসিবি পণ্য না পেয়ে তার কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি চলতি মাসের গত ২ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ৪দিন তিনি পণ্য পেয়েছেন। এর মধ্যে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ জায়গা সান্তাহার পৌরসভায় ১ দিন, আদমদীঘি উপজেলা সদরে ১ দিন, চাঁপাপুর ইউনিয়নের ১ দিন ও নশরতপুর ইউনিয়নে ১ দিন এসব পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবের মধ্যে এক মাসে মাত্র ৪ দিন টিসিবির পণ্য পেয়েছেন তাতে অধিকাংশ মানুষের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। জিনরই গ্রামের আনোয়ার হোসাইন বলেন, বগুড়া জেলার প্রায় প্রতিদিনই ডিলাররা ট্রাকে করে বিভিন্ন এলাকায় টিসিবি পণ্য সরবরাহ করছেন। অথচ আমাদের উপজেলায় এক মাসে মাত্র ৪ দিন টিসিবি পণ্য পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। যা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগন্য। জেলার সাথে এই উপজেলার কেন এমন বৈষম্য ? তাইতো তিনি করোনার প্রভাবে সাধারন মানুষের কথা ভেবে টিসিবি কতৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষন করে বলেন, যেন জেলার সাথে এই উপজেলায়ও প্রতিদিন টিসিবি পণ্য বিক্রয় করতে পারে।
এ ব্যাপারে টিসিবির বগুড়া রিজিওনাল অফিসের প্রধান জামাল উদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।