সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণসহ লকডাউন কার্যকর করতে ২৪ এপ্রিল সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮.০০ হাটগাড়ি, চকপোতা, গোসাইবাড়ি বটতলা, বাগড়া বাজার, টুনি পাড়া, দুবলাগাড়ি, হাসপাতাল রোড়, বনমরিচা বাসস্ট্যান্ড, কেল্লাপোষি মেলা, গাড়িদহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ওই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ লিয়াকত আলী সেখ। এ সময় তিনি সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করায় বিভিন্ন আইনে ৪ জনকে মোট ৩০০০ টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া তিনি দেশের বিভিন্ন জেলা বিশেষ করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী থেকে আগত কয়েকজন ব্যক্তির হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে তাদের বাড়িতে যান এবং তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনের নিয়মকানুন মেনে চলার নির্দেশনা দেন।
অপরদিকে,সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে দোকান খোলা রাখায়, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত না করে বিশৃঙ্খলভাবে বাজারে ঘোরাঘুরি করায় সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮পর্যন্ত ধড়মোকাম, দহপাড়া, হামছায়াপুর, কানাইকান্দর, হাসপাতাল রোড়, দুবলাগাড়ি, এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জামশেদ আলাম রানা। এ সময় সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করায় ৫ জনকে ৩৭০০ টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া তিনি শাহবন্দেগী ইউনিয়নে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কয়েকজনের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেন এবং তাদেরকে বাড়ির বাইরে না আসার জন্য অনুরোধ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জামশেদ আলাম রানা বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগনকে সচেতন করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। সরকারি আদেশ অমান্য করায় বিভিন্ন জনকে জরিমানা করছি। আশা করি সবাই ঘরে থাকবে। জরুরী প্রয়োজন মিটিয়ে তারাতারি বাড়ি ফিরে যাবে।
এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় যারা সরকারি বিধি অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সবাই কে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।