বগুড়ার নন্দীগ্রামে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পণ্য কিনতে আগেই সেন্ডেল দিয়ে লাইনের জায়গা দখল করা হচ্ছে। তবে ক্রেতারা লাইনে সামাজিক দূরুত্ব মানলেও খোস গল্প করার সময় মানছেনা দূরুত্ব।
জানা গেছে, গত ১৭ মার্চ থেকে টিসিবি জনগণের মধ্যে নায্যমূল্যে ডাল, তেল, চিনি বিক্রয় শুরু করা হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বরে টিসিবি’র পণ্য কিনতে লাইনে আগে জায়গা পেতে সকাল থেকেই চলে সেন্ডেল/জুতা দিয়ে স্থান দখলের প্রতিযোগীতা। খোলাবাজারে পণ্য কিনতে প্রচুর ভিড় হয় ট্রাক সেলে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সাদা রংয়ের বিত্তের মধ্যে সেন্ডেল ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকারি ছুটির দিনেও বিক্রয় করা হচ্ছে এই পণ্য। তবে প্রথম থেকে কোনো ভাবেই করোনাভাইরাস বিস্তার প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারছিলো না। এজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ট্রাক সেল থেকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে গোল চিহ্ন (বিত্ত) দেওয়া হয়।
শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে দেখা যায় গোল চিহ্ন’র মধ্যে সেন্ডেল/জুতা রেখে চলছে জায়গা দখল। একই সাথে কেউবা আবার বাজারের ব্যাগ দিয়ে রেখেছেন। তবে ক্রেতারা লাইনে সামাজিক দূরুত্ব মানলেও খোস গল্প করার সময় মানছেনা দূরুত্ব। এতে লঙ্ঘিত হচ্ছে সামাজিক দূরুত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি। বাড়ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি। অটোভ্যান চালক হযরত আলী বলেন, কয়েক দিন ধরে লাইনের শেষে দাঁড়িয়ে থেকে ট্রাক পর্যন্ত যাওয়ার আগেই পণ্য শেষ হয় যাচ্ছে। শনিবার সকালে এখান দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি লোকজন সেন্ডেল দিয়ে লাইনের স্থান আগেই দখল করছে। এ অবস্থা দেখে আমিও একটা সেন্ডেল রাখলাম রাখলাম। কলেজপাড়ার লিমা খাতুন বলেন, গতকাল এখানে এসেই দেখি লম্বা লাইন। আর শুনি সবাই নাকি ভোর রাত থেকে লাইন দখল করে রাখে। তাই আজ ভোরে বের হয়ে আসলাম। আর দেখি অনেকেই সেন্ডেল সাজিয়ে রেখেছেন। আমিও তাই সাজিয়ে রাখলাম।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. শারমিন আখতার বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সাদা রং দিয়ে গোল বিত্ত করা হয়েছে। যাতে ক্রেতারা টিসিবি পণ্য সামাজিক দূরুত্ব বজায় রেখে কিনতে পারে।