সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণসহ লকডাউন কার্যকর করতে আজ ২৩ এপ্রিল সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত কলেজ রোড়, পুন্ন্যাহ তলা, গোসাইবাড়ি বটতলা, বাগড়া বাজার, টুনি পাড়া, দুবলাগাড়ি, ভাদাই ব্রিজ, লক্ষীকোলা, বেলঘরিয়া বাজার, কেল্লাপোষি মেলা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ওই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ লিয়াকত আলী সেখ। এ সময় তিনি সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করায় বিভিন্ন আইনে ৭ জনকে মোট ৯৫০০ টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া তিনি দেশের বিভিন্ন জেলা বিশেষ করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী থেকে আগত কয়েকজন ব্যক্তির হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে তাদের বাড়িতে যান এবং তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনের নিয়মকানুন মেনে চলার নির্দেশনা দেন।
অপরদিকে, সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে দোকান খোলা রাখায়, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত না করে বিশৃঙ্খলভাবে বাজারে ঘোরাঘুরি করায় সকাল ৭ টা থেকে রাত ৮.০০ পর্যন্ত বারদুয়ারী হাট, হাসপাতাল রোড়, ফলপট্টি, দুবলাগাড়ি, ব্রাক বটতলা, মহিপুর বাজার, মহিপুর কলোনী, বনমরিচা, দশমাইল এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জামশেদ আলাম রানা। এ সময় সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করায় ১২ জনকে ১৮৪০০ টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া তিনি গাড়ীদহ ইউনিয়নে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কয়েকজনের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেন এবং তাদেরকে বাড়ির বাইরে না আসার জন্য অনুরোধ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জামশেদ আলাম রানা বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগনকে সচেতন করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। সরকারি আদেশ অমান্য করায় বিভিন্ন জনকে জরিমানা করছি। আশা করি সবাই ঘরে থাকবে। জরুরী প্রয়োজন মিটিয়ে তারাতারি বাড়ি ফিরে যাবে।
এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় যারা সরকারি বিধি অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সবাই কে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।