বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় লক ডাউন কার্যকর করতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে জরিমানা গুনলেন ৭ জন। ২১ এপ্রিল সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত শেরপুর উপজেলার দশমাইল বাজার, রামচন্দ্রপুর বাজার, কলেজ রোড়, দুবলাগাড়ি, চকপোতা, চকপাথালিয়া,বাগড়া বাজার, কেল্লাপোষি মেলা এলাকায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ও বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ওই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ লিয়াকত আলী সেখ। এ সময় তিনি সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করায় বিভিন্ন আইনে ৪ জনকে মোট ৩৫০০ টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া তিনি দেশের বিভিন্ন জেলা বিশেষ করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী থেকে আগত কয়েকজন ব্যক্তির হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেন এবং তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনের বিধিনিষেধ মেনে চলার নির্দেশনা দেন।
অপরদিকে,সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করায় সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮.৩০ পর্যন্ত উপজেলার শেরুয়া বটতলা, ভাটরা, ভীমজানি, ছোনকা বাজার, ছোনকা কলেজ রোড়, ধুনট মোড়ে, কাফুড়া পূর্ব বাজার, শুভগাছা বাজার, দুবলাগাড়ি, ফুলবাড়ি বাজার, কর্মকারপাড়া, রামচন্দ্রপুর পাড়ায় ৩ জনকে ১৭০০ টাকা জরিমানা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জামশেদ আলাম রানা। এ ছাড়া তিনি শাহবন্দেগী ইউনিয়নে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কয়েকজনের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেন এবং তাদেরকে বাড়ির বাইরে না আসার জন্য অনুরোধ করেন।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার ভূমি মো. জামশেদ আলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমাদের এই কার্যক্রম বিকাল ৪ টা থেকে শুরু হবে। তাই সবাই কে ঘরে থাকার নির্দেশ দেয় এই কর্মকর্তা।
এব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ বলেন, আজ থেকে কোন জেলার মানুষ এই জেলায় প্রবেশ করতে পারবে না। আবার এই জেলার মানুষ অন্য কোন জেলাই জেতে পারবে। লকডাউন জারা মানবে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।